একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন যে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী ইস্পাহানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালিয়েছে। তেহরানে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুত ইরানের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। ইস্পাহানে পরিবারের সাথে দেখা করতে আসা পার্নিয়া নামের এক ইরানি নারী পরিস্থিতিকে "যুদ্ধক্ষেত্র" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হাকিম নিজামী এবং খাগানী এলাকাগুলোতে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের বিক্ষোভকারীরা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।
ইন্টারনেট বন্ধ, যা এখন তৃতীয় সপ্তাহে, তথ্যের প্রবাহকে মারাত্মকভাবে সীমিত করেছে। ইরান থেকে যারা দেশ ছেড়েছেন, তাদের কাছ থেকে বিবরণ আসছে। বিক্ষোভ প্রাথমিকভাবে তেহরানে শুরু হওয়ার পরে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সরকার ভিন্নমত দমনে সংগ্রাম করায় আরও অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইরানের বর্তমান সরকার ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছে। শাসন পরিবর্তনের আহ্বান ঐতিহাসিক আন্দোলনের প্রতিধ্বনি করে। বিক্ষোভ অর্থনৈতিক কষ্ট এবং রাজনৈতিক বিধিনিষেধের কারণে গভীর হতাশার প্রতিফলন ঘটায়।
পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল। যোগাযোগ বিধিনিষেধ শিথিল হলে আরও প্রতিবেদন আশা করা হচ্ছে। বিশ্ব আরও উন্নয়নের জন্য অপেক্ষা করছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment