গ্রীনল্যান্ডে আরও মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পদক্ষেপ দ্বীপটিতে আমেরিকান সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। বর্তমানে, গ্রীনল্যান্ডে আমেরিকার কেবল একটি সক্রিয় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেটি হলো পিটুফ্ফিক স্পেস বেস, যা পূর্বে থুলে এয়ার বেস নামে পরিচিত ছিল।
উত্তর-পশ্চিম গ্রীনল্যান্ডে অবস্থিত পিটুফ্ফিক স্পেস বেসে প্রায় ১৫০ জন কর্মী রয়েছেন, যারা একটি দূরবর্তী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা স্টেশন পরিচালনা করেন। কয়েক দশক আগে, গ্রীনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক পদচিহ্ন যথেষ্ট বড় ছিল, যেখানে এক ডজনেরও বেশি ঘাঁটি, কয়েক হাজার সৈন্য, কৌশলগত বোমারু বিমান, আবহাওয়া স্টেশন এবং বরফের নিচে একটি বিশাল সুবিধা ছিল। এই ঘাঁটিগুলোর মধ্যে অনেকগুলোকেই পরবর্তীতে বাণিজ্যিক বিমানবন্দর হিসেবে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে অথবা সেগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
ট্রাম্প বলেছেন যে গ্রীনল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য, এবং তিনি সামরিক ঘাঁটির জন্য গ্রীনল্যান্ডে জমি অধিগ্রহণের সম্ভাবনাও প্রস্তাব করেছেন। ডেনমার্কের একটি বৈদেশিক অঞ্চল গ্রীনল্যান্ড এবং ডেনমার্ক কোনো সার্বভৌমত্ব ত্যাগ করতে নারাজ। এই ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবে কতটা সম্ভব, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সম্ভাব্য সম্প্রসারণ গ্রীনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে। নতুন ঘাঁটি স্থাপন করে বা বিদ্যমান সুবিধাগুলোর উন্নতি করে গ্রীনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো যেতে পারে। গ্রীনল্যান্ডে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ স্পষ্টভাবে উৎসে উল্লেখ করা হয়নি, তবে সম্ভবত সেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, আর্কটিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত অবস্থানের সাথে সম্পর্কিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment