ট্রাম্প প্রশাসন মিনিয়াপলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের হাতে অ্যালেক্স প্রেট্টির নিহত হওয়ার ঘটনাকে সমর্থন করছে। মূল যুক্তির কেন্দ্রবিন্দু হলো প্রেট্টির কাছে বন্দুক থাকা। ঘটনাটি [প্রদত্ত প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে তারিখ সন্নিবেশ করুন, যেমন, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬] তারিখে আইসিই এজেন্টদের সাথে একটি সংঘর্ষের সময় ঘটে।
বর্ডার পেট্রোল কমান্ডার-এট-লার্জ গ্রেগ বোভিনো সিএনএনকে বলেন, দাঙ্গা বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপর হামলার সময় দ্বিতীয় সংশোধনীর অধিকার প্রযোজ্য নয়। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল ফক্স নিউজে বলেন, একাধিক ম্যাগাজিনসহ একটি লোড করা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বিক্ষোভে যাওয়া অবৈধ। এজেন্টদের কার্যকলাপের ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মধ্যে এই বিবৃতিগুলো এসেছে।
এই হত্যাকাণ্ড বলপ্রয়োগের বৈধতা এবং ন্যায্যতা নিয়ে তাৎক্ষণিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বন্দুক অধিকারের সমর্থকরা প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারা দ্বিতীয় সংশোধনীর অধিকারের কথা উল্লেখ করছেন। সমালোচকরা বলছেন প্রশাসন ভণ্ডামি করছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী অস্ত্র রাখার অধিকারকে রক্ষা করে। তবে, আইনি নজির এই অধিকারের উপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করে, বিশেষ করে অপরাধমূলক কার্যকলাপ বা জননিরাপত্তার প্রতি হুমকির ক্ষেত্রে। প্রেট্টি এবং আইসিই এজেন্টদের মধ্যে সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো তদন্তাধীন।
বিচার বিভাগ একটি বিবৃতি প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রেট্টির মৃত্যুর পেছনের সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নির্ধারণের জন্য আরও তদন্ত চলছে। প্রেট্টির আগ্নেয়াস্ত্র রাখার আইনি প্রভাব তদন্তের একটি মূল বিষয় হবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment