কে-ড্রামা এশিয়া-প্যাসিফিকে প্রসারিত হচ্ছে, একই সময়ে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সমস্যা দেখা যাচ্ছে
সিজে ইএনএম-এর টিভিং, ডিজনি+ এবং এইচবিও ম্যাক্স-এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জাপান এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে কে-ড্রামার বিস্তার ঘটাচ্ছে, যা ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ভ্যারাইটির মতে আন্তর্জাতিক কে-কন্টেন্ট হাব হিসাবে নিজের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করছে। এই সম্প্রসারণ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং সামাজিক নীতিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নের সাথে একযোগে ঘটছে।
সিজে ইএনএম-এর মালিকানাধীন টিভিং, এই বছর মুক্তি পাওয়ার জন্য নতুন কোরিয়ান ড্রামাগুলোর একটি তালিকা নিশ্চিত করেছে, যা কে-কন্টেন্ট হাব হিসাবে এর ভূমিকাকে আরও প্রতিষ্ঠা করবে।
এদিকে, চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিছু শিশুদের জন্য পাঠ্যক্রমের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে। এনপিআর নিউজের ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদন অনুসারে, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র লি জিচেন একটি রিমোট কন্ট্রোল রোবট প্রদর্শন করেছে যা ব্লক তুলতে ও সরাতে পারে এবং এআই ব্যবহার করে প্রোগ্রাম করা যায়। জিচেন উল্লেখ করেছে যে এই প্রকল্পটি তাকে চীনের মঙ্গল ও চাঁদে পাঠানো রোভারগুলোর কথা ভাবতে বাধ্য করেছে, যা বাধা পেলে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয় তা জানতে আগ্রহী করেছে।
অস্ট্রেলিয়ায়, গবেষকরা ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন, যা নেচার নিউজ জানিয়েছে।
ভারতে, সুপ্রিম কোর্টের দিল্লি থেকে রাস্তার কুকুর সরিয়ে নেওয়ার এবং নাগরিকদের নির্দিষ্ট এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও তাদের খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক চলছে। নেচার নিউজের মতে, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ২০,০০০ মানুষ কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগে মারা যায়, যার প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে, এই পদক্ষেপগুলোর কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ, কারণ কুকুরগুলো প্রায়শই আবর্জনা স্তূপ এবং খাবারের স্থানে খাবার খুঁজে নেয়।
পুরো আফ্রিকা জুড়ে, গবেষণা মূলত আন্তর্জাতিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল, নেচার নিউজ অনুসারে। দাতা তহবিলের সাম্প্রতিক कटौती গবেষণার গতি কমিয়ে দিয়েছে, বিজ্ঞানীদের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং মহাদেশের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থার দুর্বলতা তুলে ধরেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment