পর্নহাব ঘোষণা করেছে যে তারা ২ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যের নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের সাইটটি বন্ধ করে দেবে। Wired-এর মতে, দেশটি কর্তৃক আরোপিত বয়স যাচাইকরণ আইনের প্রতিবাদে তারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছে। কোম্পানিটি যুক্তি দেখিয়েছে যে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট দেখা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের আটকাতে তৈরি করা এই আইনগুলো অকার্যকর।
Wired-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট চালুর পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই আইনের অধীনে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করার জন্য ফেস স্ক্যান, আইডি ডকুমেন্টস আপলোড অথবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় নিশ্চিত করতে হতো। পর্নহাব জানিয়েছে, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে তাদের সাইটে যুক্তরাজ্যের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭৭ শতাংশ কমে গেছে। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুধুমাত্র সেই ব্যবহারকারীরা সাইটটি অ্যাক্সেস করতে পারবে যারা আগে থেকেই পর্নহাবে নিবন্ধিত এবং বয়স যাচাইকরণ সম্পন্ন করেছে। নতুন ব্যবহারকারীরা নিবন্ধন করতে পারবে না।
MIT Technology Review-এর মতে, প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর জন্য বয়স যাচাইকরণের বিষয়টি একটি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে এআই চ্যাটবটগুলোর ক্ষেত্রে। ঐতিহাসিকভাবে, কোম্পানিগুলো ব্যবহারকারীদের দেওয়া জন্ম তারিখের উপর নির্ভর করত, কিন্তু এই পদ্ধতি সহজেই এড়িয়ে যাওয়া যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এই সমস্যার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যেখানে কিছু রাজ্য প্রাপ্তবয়স্কদের কনটেন্টযুক্ত সাইটগুলোতে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করা বাধ্যতামূলক করে আইন পাস করেছে।
অন্যান্য খবরে জানা যায়, Hacker News-এর মতে, অ্যামাজন তাদের অ্যামাজন ফ্রেশ এবং অ্যামাজন গো স্টোরগুলো বন্ধ করে দিচ্ছে। তারা Bloomberg-এর ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ সালের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়েছে। কোম্পানিটি ঘোষণা করেছে যে তারা অ্যামাজন-ব্র্যান্ডেড গ্রোসারি স্টোর এবং স্বয়ংক্রিয় গ্র্যাব-অ্যান্ড-গো মার্কেটগুলো বন্ধ করে দেবে এবং কিছু স্থানকে Whole Foods Market স্টোরে রূপান্তরিত করবে।
এদিকে, Fortune-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিপ্টো বিল, দ্য ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট পাসের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। একজন সিনেটর ক্রেডিট কার্ড ফি সম্পর্কিত একটি বিতর্কিত সংশোধনী প্রত্যাহার করার পরে এই অগ্রগতি হয়েছে। রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শাল একটি বিধান প্রত্যাহার করেছেন, যেখানে ক্রেডিট কার্ডগুলোকে সোয়াইপ ফি-এর ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করতে বাধ্য করা হতো, যা বৃহত্তর ক্রিপ্টো আইনের জন্য একটি বাধা তৈরি করেছিল। দ্য ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট, যার লক্ষ্য ডিজিটাল সম্পদকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং বৈধতা দেওয়া, দ্বিদলীয় সমর্থন আকর্ষণ করেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment