মিনিয়াপলিসে ICE-এর কার্যকলাপ নিয়ে বৃহত্তর ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির মধ্যে তদন্ত
মিনিয়াপলিস, MN – মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE)-এর কার্যকলাপ ক্রমবর্ধমান তদন্তের আওতায় এসেছে, যা সংস্থার কৌশল এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বৃহত্তর অভিবাসন নীতি সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে। এই বিতর্কটি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি, DEI উদ্যোগ নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিতর্ক এবং ২০২০ সালের নির্বাচন সম্পর্কিত চলমান আইনি চ্যালেঞ্জের মধ্যে উন্মোচিত হয়েছে।
মিনিয়াপলিসে সাম্প্রতিক ICE কার্যকলাপের মধ্যে মুখোশ এবং প্লেট ক্যারিয়ার পরিহিত এজেন্টদের অংশগ্রহণে অভিযান অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা দৃশ্যমান ছিল। Vox-এর মতে, এই এজেন্টরা দুইজন মার্কিন নাগরিককে হত্যা করেছে এবং "অগণিত মানুষকে আতঙ্কিত করেছে"। Vox এটিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে "নতুন, সামরিকীকৃত অভিবাসন বাহিনী" হিসাবে বর্ণনা করেছে।
Meta ICE List-এর লিঙ্ক শেয়ার করা থেকে ব্যবহারকারীদের ব্লক করা শুরু করেছে, যেখানে ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS) কর্মীদের নাম সংকলিত করা হয়েছে। Ars Technica জানিয়েছে যে ৪,৫০০ DHS কর্মীর একটি ফাঁস হওয়া তালিকা আপলোড করার দাবি করার পরে সাইটটি ভাইরাল হয়েছিল। তালিকাটি মূলত সর্বজনীনভাবে উপলব্ধ তথ্যের উপর নির্ভরশীল। ICE List-এর নির্মাতার অভিযোগ, Meta-র এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যেখানে কর্মীরা ICE এজেন্টদের তাদের কাজের জন্য জবাবদিহি করতে চায়।
হোয়াইট হাউস মিনিয়াপলিসের পরিস্থিতি নিয়ে করা বিবৃতির জন্য সমালোচিত হয়েছে। Vox এই বিবৃতিগুলোকে "হতবাক করা মিথ্যা" হিসেবে অভিহিত করেছে, যদিও এই বিবৃতিগুলোর নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি।
এই ঘটনাগুলো এমন সময়ে ঘটছে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প কলোরাডোর গভর্নরকে টিনা পিটার্সকে মুক্তি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন, যিনি একজন প্রাক্তন নির্বাচন ক্লার্ক এবং নির্বাচনী কারচুপির জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। একাধিক সংবাদ সূত্র জানিয়েছে যে এই ক্ষেত্রে ক্ষমা করার কোনও ক্ষমতা ট্রাম্পের নেই। Variety-এর মতে, গভর্নর পলিস ক্ষমা প্রদর্শনের কথা বিবেচনা করছেন, যা রাজ্য কর্মকর্তাদের উদ্বেগের কারণ।
মিনিয়াপলিসের পরিস্থিতি এবং এর আশেপাশের বিতর্কগুলো একটি জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রতিফলিত করে, যেখানে অভিবাসন, প্রযুক্তি এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে চলমান বিতর্ক রয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment