এখানে প্রদত্ত তথ্যের সমন্বয়ে একটি সংবাদ নিবন্ধ দেওয়া হলো:
রাফা ক্রসিং পুনরায় চালু, ইরানের উপর চাপ, এবং সুইস বারে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি
গাজা ও মিশরের মধ্যে রাফা ক্রসিং পুনরায় চালুর ঘোষণা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এবং সুইস বারে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইসরায়েল জানায়, গাজায় ত্রাণ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা ইসরায়েলি সামরিক সংস্থা COGAT-এর মতে, রাফা ক্রসিং সোমবার থেকে সীমিত আকারে পরীক্ষামূলকভাবে পুনরায় খোলা হবে (আল জাজিরা)। গাজার বাসিন্দাদের জন্য এটি উভয় দিকেই খোলা থাকবে এবং মিশর ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই পদক্ষেপটি এমন সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন হাজার হাজার অসুস্থ ও আহত ফিলিস্তিনি জরুরি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন (আল জাজিরা)।
এদিকে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের বিরুদ্ধে বাগ্যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের বিষয়ে "আঞ্চলিক সংঘাত"-এর সতর্কবার্তা দেওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির আশা প্রকাশ করেছেন (স্কাই নিউজ)। খামেনির মন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ট্রাম্প বলেন, "কেন তিনি তা বলবেন না? অবশ্যই, তিনি তা বলতে পারেন" (স্কাই নিউজ)।
ইরানের জটিলতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, ৮ জানুয়ারি বিক্ষোভের সময় আটক হওয়া ইরানি প্রতিবাদকারী এরফান সোলতানিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে (স্কাই নিউজ)। সোলতানীর পরিবারকে জানানো হয়েছিল যে, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে, কিন্তু কুর্দি ও ইরানি মানবাধিকার সংস্থা হেঙ্গাও এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইএসএনএ (ISNA) তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে (স্কাই নিউজ)। ট্রাম্প এর আগে সতর্ক করে বলেছিলেন যে, কোনো বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তিনি "কঠোর ব্যবস্থা" নেবেন (স্কাই নিউজ)।
সুইজারল্যান্ডে, ক্রান্স- Montana-র Le Constellation বারে নববর্ষের দিনে লাগা আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১-এ দাঁড়িয়েছে। ১৮ বছর বয়সী এক সুইস নাগরিক আগুনের ঘটনায় আহত হয়ে জুরিখের একটি হাসপাতালে মারা যান (স্কাই নিউজ)। সুইস পাবলিক প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, শনিবার ওই কিশোর মারা গেছে, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি (স্কাই নিউজ)। অগ্নিকাণ্ডে আরও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত চলছে (স্কাই নিউজ)।
অন্যদিকে, পাকিস্তানে বেলুচিস্তানে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে, যেখানে সাম্প্রতিক হামলায় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন (আল জাজিরা)। বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে যে, তারা একটি স্বাধীন বেলুচিস্তানের জন্য লড়াই করছে (আল জাজিরা)। পাকিস্তানি সরকার এই অঞ্চলের সহিংসতার জন্য তাদের শত্রুদের দায়ী করছে (আল জাজিরা)।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment