গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় চালু; "নতুন গাজা"র জন্য কুশনারের পরিকল্পনা প্রকাশ
এনপিআর অনুসারে, প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পরে ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মিশরের সাথে গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খোলা হয়েছে। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এই পুনরায় চালু করা। তবে, ২ ফেব্রুয়ারির দুপুর পর্যন্ত কেউ সীমান্ত অতিক্রম করেনি।
এদিকে, আরও জানা যায় যে, একই দিনে, ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, জারেড কুশনারের গাজার ভবিষ্যতের জন্য একটি পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এনপিআর অনুসারে, এই পরিকল্পনায় "নতুন গাজা"-র কথা বলা হয়েছে, যেখানে মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত জানালাযুক্ত loft-style অ্যাপার্টমেন্ট, একটি অফশোর তেল ও গ্যাস রিগ, উন্নত শিল্পাঞ্চল এবং পার্ক-সারিযুক্ত এলাকা থাকবে। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে আলোচনার মধ্যে এই পরিকল্পনাটি প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে কুশনার ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি একটি বোর্ড অফ পিস সনদে স্বাক্ষর করার পরে বক্তব্য রেখেছিলেন।
এনপিআর অনুসারে, ফিলিস্তিনিরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে কুশনারের এই পরিকল্পনা "তাদের অবশিষ্ট বাড়িঘর মুছে ফেলবে"।
রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় চালু এবং কুশনারের পরিকল্পনা উন্মোচন এমন সময়ে হলো যখন এই অঞ্চলটি চলমান উত্তেজনা এবং সাম্প্রতিক সংঘাতের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে মোকাবিলা করছে। রাফাহ ক্রসিং মানুষ ও পণ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বাহির পথ, এবং এর বন্ধ থাকা গাজার জনগণের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে।
কুশনারের পরিকল্পনা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের দ্বারা কীভাবে গৃহীত হবে এবং গাজার ভবিষ্যতে এর কী প্রভাব পড়বে, তা দেখার বিষয়।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment