বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিক ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে জেন জেড-এর সমর্থন হারানোর সম্ভাবনা, তার মিত্রদের কার্যকলাপের উপর নজরদারি এবং জটিল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অন্যতম। ২০২৪ সালের নির্বাচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা দেখা গেছে: জেন জেড-এর যুদ্ধবিরোধী মনোভাব, যা ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন হ্রাসের কারণ হতে পারে, এমনটাই জানিয়েছে Vox।
Vox-এর মতে, ট্রাম্প যখন গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের কথা বিবেচনা করেছিলেন, তখন এই অনুভূতি আবার জেগে ওঠে, যা সম্ভবত তরুণ ভোটারদের বিমুখ করেছিল। জেন জেড-এর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা গবেষণা সংস্থা The Up and Up-এর প্রতিষ্ঠাতা র্যাচেল জানফাজা তার কাজে এই প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন।
এদিকে, Wired-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিক শার্লি এবং বেনি জনসন-সহ ডানপন্থী প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ক্যালিফোর্নিয়ার সামাজিক কল্যাণ কর্মসূচিগুলিকে ভিত্তিহীন জালিয়াতির অভিযোগের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করতে শুরু করেন। এই পদক্ষেপগুলি পূর্বে মিনেসোটায় ব্যবহৃত কৌশলগুলির অনুরূপ, যা একটি ফেডারেল অভিবাসন দমন অভিযানের আগে দেখা গিয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং অন্যান্য কর্মসূচিগুলি তদন্ত করছেন, যা ডেমোক্র্যাট-শাসিত রাজ্যে অনুরূপ ফেডারেল পদক্ষেপের মঞ্চ তৈরি করতে পারে, যেখানে ট্রাম্পের মূল মিত্রদের সমর্থন রয়েছে।
আন্তর্জাতিকভাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে পরিকল্পিত পারমাণবিক আলোচনায় জড়িত ছিল, এমনটাই জানিয়েছে NPR News। এই খবরটি অন্যান্য বৈশ্বিক ঘটনার মধ্যে আসে, যার মধ্যে জেফরি এপস্টাইনের ফাইল প্রকাশ এবং রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খোলা অন্যতম।
Time-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাইতি দারিদ্র্য, দূষণ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার সাথে ক্রমাগত সংগ্রাম করছে। দেশটির চ্যালেঞ্জগুলি পদ্ধতিগত সমস্যা এবং বিদেশী প্রভাবের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের জন্য দায়ী করা হয়েছে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাইতিয়ান অভিবাসীদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা (Temporary Protected Status) হারানোর সম্ভাবনা দেশটির দুর্দশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রযুক্তি বিশ্বে, কোম্পানিগুলি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি মোকাবিলার জন্য অভ্যন্তরীণ চাপের সম্মুখীন হয়েছে, যা ICE-এর মতো সংস্থার সাথে শিল্পের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং চুক্তি নিয়ে বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, এমনটাই জানিয়েছে একাধিক সংবাদ সূত্র।
এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, ২০২৬ সালের সুপার বোল এলএক্স অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে বড় বিজ্ঞাপনদাতাদের আকর্ষণ করছে, যেমন পেপসিকোর চিপসের দাম কমানো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি, এমনটাই জানিয়েছে NPR News। কমলা হ্যারিসও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছিলেন, যদিও নির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়নি।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment