এখানে প্রদত্ত তথ্যের সমন্বয়ে একটি সংবাদ নিবন্ধ দেওয়া হলো:
প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম এবং অভিবাসন নীতির ক্রমবর্ধমান নিরীক্ষণের মধ্যে ফ্রান্সে X-এর অফিসে অভিযান
বিবিসি-র মতে, ফরাসি কর্তৃপক্ষ X-এর (পূর্বে যা টুইটার নামে পরিচিত ছিল) অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে। অবৈধ ডেটা নিষ্কাশন এবং শিশু পর্নোগ্রাফি রাখার অভিযোগে এই তদন্ত করা হচ্ছে। প্যারিসের সরকারি আইনজীবীর সাইবার-ক্রাইম ইউনিট এই অভিযান চালায়। সরকারি আইনজীবীর দপ্তর জানায়, X-এর মালিক ইলন মাস্ক এবং প্রাক্তন সিইও লিন্ডা ইয়াকারিনোকে এপ্রিল মাসে শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে। মাস্ক X-এ এই অভিযানের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং এটিকে "রাজনৈতিক আক্রমণ" বলে অভিহিত করেছেন।
অন্যদিকে, বিবিসির মতে, যুক্তরাজ্যের ইনফরমেশন কমিশনার্স অফিস (ICO) মাস্কের এআই সরঞ্জাম গ্রোকের "ক্ষতিকারক যৌন উত্তেজক ছবি এবং ভিডিও সামগ্রী তৈরি করার সম্ভাবনা" নিয়ে তদন্তের ঘোষণা করেছে।
এই পদক্ষেপগুলি অভিবাসন নীতি এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত সমস্যাগুলির ক্রমবর্ধমান পর্যালোচনার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে। দ্য গার্ডিয়ানের মতে, একটি নতুন প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাপী "গণতান্ত্রিক মন্দা"র ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যেখানে বিশ্বের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে বসবাস করছে। প্রতিবেদনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন সহ বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে এটি বিশ্বব্যাপী নিয়ম-ভিত্তিক ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, একজন ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের ৩৫০,০০০ পর্যন্ত হাইতিয়ানদের অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা (Temporary Protected Status) বাতিলের সিদ্ধান্তকে আটকে দিয়েছেন। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচারক আনা রেয়েস একটি অস্থায়ী স্থগিতাদেশ জারি করেছেন, যা হাইতিয়ানদের বৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস এবং কাজ করার অনুমতি দেয়। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমকে এই সুরক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা আরও বাড়িয়ে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন দমননীতির সমর্থনকারী জুনিয়র পেনা নামের এক ব্রাজিলীয় প্রভাবশালীকে (influencer) নিউ জার্সিতে ICE (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) এজেন্টরা গ্রেপ্তার করেছে। দ্য গার্ডিয়ানের মতে, ইউস্টাকিও দা সিলভা পেনা জুনিয়র নামের ওই ব্যক্তি একটি ভিডিও বার্তায় ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং মিথ্যা দাবি করেছিলেন যে আটক হওয়া অভিবাসীরা সবাই অপরাধী। জানা গেছে, তিনি ২০০৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।
এই ঘটনাগুলি বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ, মানবাধিকার এবং অভিবাসন নীতি সম্পর্কিত চলমান উত্তেজনাকে তুলে ধরে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment