এখানে প্রদত্ত সূত্রগুলির সমন্বয়ে একটি সংবাদ নিবন্ধ দেওয়া হল:
নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে চীনে লুকানো গাড়ির দরজার হাতল নিষিদ্ধ
বিবিসি টেকনোলজির মতে, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে চীন প্রথম দেশ হিসেবে বৈদ্যুতিক গাড়িতে (ইভি) লুকানো দরজার হাতল নিষিদ্ধ করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বিক্রি হওয়া সমস্ত গাড়িতে দরজার ভিতরে এবং বাইরে উভয় দিকেই একটি করে মেকানিক্যাল রিলিজ থাকতে হবে। বিশ্বে ইভিগুলির সুরক্ষা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে চীনে শাওমি ইভি-র দুটি মারাত্মক দুর্ঘটনায় বিদ্যুতের সমস্যার কারণে দরজা খুলতে না পারায় কয়েকজন মারা যান। টেসলা এই বিতর্কিত নকশা জনপ্রিয় করেছিল।
সীমিত রাফাহ ক্রসিং পুনরায় চালু, কিউবায় সাহায্যের প্রতিশ্রুতি এবং অলিম্পিকে আইসিই-র উপস্থিতি স্পষ্ট
অন্যান্য আন্তর্জাতিক খবরে, ইসরায়েল রাফাহ সীমান্ত পুনরায় খোলার অনুমতি দেওয়ার পর অসুস্থ এবং আহত কিছু ফিলিস্তিনি চিকিৎসার জন্য মিশরে যাওয়া শুরু করেছে, এমন খবর দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। সোমবার প্রায় ১৫০ জনের ভূখণ্ডটি ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এবং ৫০ জনের প্রবেশের কথা ছিল, তবে রয়টার্স জানিয়েছে যে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাত্র ১২ জন ফিলিস্তিনিকে পুনরায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই ক্রসিংটি ২০ মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল।
এদিকে, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাম কিউবায় মানবিক সাহায্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটিতে তেল সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা করছে, এমন খবর দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত হয়েছে। মেক্সিকো কিউবায় জ্বালানি পাঠানোর জন্য কূটনৈতিক পথও খুঁজছে। এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বতন প্রশাসন কিউবায় তেল বিক্রি করা দেশগুলোর উপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিল।
ইতালিতে, শীতকালীন অলিম্পিকে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টদের মোতায়েন করার প্রতিবাদে মিলানে বিক্ষোভ হয়েছে, এমন খবর জানায় আল জাজিরা। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে মিলান-কর্টিনা গেমসের সময় আইসিই এজেন্টদের কোনো পুলিশি ভূমিকা থাকবে না। মাত্তেও পিয়ানতেদোসি জানান, আইসিই-র হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস (এইচএসআই) শুধুমাত্র মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের মধ্যে কাজ করবে এবং এর কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে না।
আল জাজিরা আরও জানিয়েছে যে ওমানকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী আলোচনার স্থান হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। আল জাজিরাকে এক ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, তেহরানে এখন আর কূটনীতি চলছে কিনা, সেই প্রশ্ন নেই, বরং এটি দ্রুত যথেষ্ট এগোতে পারবে কিনা, সেটাই দেখার বিষয়।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment