এখানে প্রদত্ত উৎস থেকে তথ্য সংশ্লেষণ করে একটি সংবাদ নিবন্ধ দেওয়া হল:
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে বিশ্ব নেতারা কূটনৈতিক তৎপরতায় জড়িত
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। ইউরোনিউজ-এর প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে একটি ভিডিও কল করেন, এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ফোন করেন। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফরাসি সম্প্রচারক ফ্রান্স ২-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে তার দেশের সামরিক ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশ করেছেন এবং ইরান ওমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আসন্ন পরমাণু আলোচনার ঘোষণা করেছে।
ইউরোনিউজ জানিয়েছে, শি এবং পুতিনের মধ্যে ভিডিও কলে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পশ্চিমা নেতারা চীনের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার প্রচেষ্টার মধ্যে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর পরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট শি ফোনে কথা বলেন এবং বাণিজ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ ও ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। ট্রাম্পের মতে, কলটি "চমৎকার" ছিল এবং এতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ওয়াশিংটন তেহরানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য দেশগুলোকে ক্রমাগত অনুরোধ করছে।
ফ্রান্স ২-এর সাথে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ইউক্রেন যুদ্ধের মানবিক মূল্য সম্পর্কে কথা বলেছেন। দৃশ্যত আবেগপ্রবণ হয়ে জেলেনস্কি প্রকাশ করেছেন যে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের মধ্যে "অফিসিয়ালি, যুদ্ধক্ষেত্রে মৃতের সংখ্যা..." ৫৫,০০০। সাক্ষাৎকারে চলমান আলোচনা এবং রাশিয়ার প্রতি ইউরোপের অবস্থান নিয়েও কথা বলা হয়েছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ঘোষণা করেছেন যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার ওমানে পরমাণু আলোচনা করবে। আলোচনার বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পর এই ঘোষণা আসে। কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিন্যাস ও বিষয়বস্তু নিয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা বাতিল হওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমনের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment