এখানে প্রদত্ত তথ্যের সমন্বয়ে একটি সংবাদ নিবন্ধ দেওয়া হলো:
নাইজেরিয়ার গ্রামে হামলা, ১৬০ জনের বেশি নিহত; ইইউ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পর্যালোচনার মুখে; চীনের খনিজ আধিপত্য মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র; যুক্তরাজ্যের সুদের হার অপরিবর্তিত; আইসিই অভিযানের কারণে চাপের মুখে টার্গেট
পশ্চিম নাইজেরিয়ার দুটি গ্রামে হামলায় ১৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যা এই বছরে দেশটির সবচেয়ে মারাত্মক সশস্ত্র হামলা। স্থানীয় রাজনীতিবিদদের মতে, মঙ্গলবার কোয়ারা রাজ্যের ওরো এবং নুকুতে এই হামলাগুলো হয়েছে। নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী কর্তৃক অঞ্চলে সন্ত্রাসী উপাদানগুলির বিরুদ্ধে চলমান প্রচেষ্টার মধ্যেই এই সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সশস্ত্র ব্যক্তিরা বাসিন্দাদের ঘিরে ফেলে, তাদের হাত বেঁধে গুলি করে হত্যা করেছে। এই ঘটনাটি অঞ্চলে জিহাদি এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক ব্যাপক সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে। নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী গত মাসে কোয়ারা রাজ্যে সন্ত্রাসী উপাদানগুলির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার কথা জানিয়েছিল।
অন্যান্য খবরে, নতুন বায়োমেট্রিক সীমান্ত ব্যবস্থা চালু হওয়ার কারণে ইউরোপীয় বিমানবন্দরগুলিতে দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। যাত্রীরা ব্যস্ত সময়ে কিছু গন্তব্যে ইতিমধ্যেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার কথা জানিয়েছেন। বিমানবন্দরগুলির প্রতিনিধিত্বকারী একটি গোষ্ঠী গ্রীষ্মকালে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সারি হওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে। ইউরোপীয় কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ব্যস্ত সময়ে নতুন সিস্টেমটি স্থগিত করতে পারে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহে চীনের আধিপত্য মোকাবেলার চেষ্টা করছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বুধবার প্রথম ক্রিটিক্যাল মিনারেলস মিনিস্ট্রিয়াল ইভেন্টের আয়োজন করে, যেখানে যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সহ বিভিন্ন দেশ এবং সংস্থা অংশ নেয়। প্রতিনিধিরা স্মার্টফোন এবং অস্ত্রের যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় খনিজগুলির প্রাপ্যতা এবং প্রাপ্তি নিয়ে আলোচনা করেন।
অভ্যন্তরীণভাবে, টার্গেট এবং মিনেসোটার অন্যান্য প্রধান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অভিবাসন প্রয়োগ নিয়ে উদ্বিগ্ন কর্মীদের চাপের মুখে পড়েছে। কর্মীরা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তারা তাদের কর্মস্থলে এলে কীভাবে সাড়া দেবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা চাইছেন এবং কোম্পানিগুলোকে দোকান ও পার্কিং লটে এজেন্টদের প্রবেশ সীমিত করতে বলছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সাথে সম্পর্কিত উদ্বেগের কারণে এই চাপ বিশেষভাবে তীব্র।
যুক্তরাজ্যে, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড সুদের হার ৩.৭৫%-এ অপরিবর্তিত রেখেছে। একটি ক্লোজ ভোটের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবে ব্যাংক এই বছরের শেষের দিকে সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি তার পূর্বাভাস পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে এপ্রিল মাস থেকে মুদ্রাস্ফীতি ব্যাংকের ২% লক্ষ্যের কাছাকাছি নেমে আসবে। বেইলি বলেন, "এটি একটি ভালো খবর।" "আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে মুদ্রাস্ফীতি সেখানেই থাকে। সবকিছু ঠিক থাকলে, এই বছর ব্যাংক রেট আরও কিছুটা কমানোর সুযোগ থাকা উচিত।" ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বাজেটে ঘোষিত নীতিগুলিও বিবেচনা করেছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment