কুমিরের হাড় বিশ্লেষণের মাধ্যমে ডাইনোসরের যুগের অসঙ্গতি বিজ্ঞানীরা খতিয়ে দেখছেন; ত্বকের পুনর্জন্ম সংক্রান্ত গবেষণায় অগ্রগতি
সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষকরা ডাইনোসরের বৃদ্ধি বোঝা এবং মানুষের ত্বকের পুনরুজ্জীবিত করার নতুন পদ্ধতি অনুসন্ধান করছেন। কেপ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের পেলিওবায়োলজিস্ট অনুসুইয়া চিনসামি-তুরান কুমিরের হাড় ব্যবহার করে ডাইনোসরের বয়স পুনর্মূল্যায়ন করছেন, যেখানে অন্যান্য বিজ্ঞানীরা ত্বকের রেটি রিজ (rete ridges) নিয়ে গবেষণা করছেন, যা সম্ভবত বার্ধক্যকে বিপরীত করতে পারে।
এনপিআর নিউজের ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এর প্রতিবেদনে চিনসামি-তুরানের গবেষণা বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে, যেখানে কুমিরের হাড়ের পাতলা অংশ পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। তার আবিষ্কার থেকে জানা যায় যে ডাইনোসরের বয়স সম্পর্কে আগের অনুমান সম্ভবত অনেক বেশি ছিল। তিনি বলেন, "এটি ডাইনোসরের বৃদ্ধি সম্পর্কে আমাদের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করে।"
এদিকে, নেচার নিউজ ত্বকের পুনর্জন্ম সংক্রান্ত গবেষণার অগ্রগতির কথা জানিয়েছে। বিজ্ঞানীরা রেটি রিজের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করছেন, যা ত্বকের এমন গঠন যা অধ্যয়ন করা কঠিন, তবে পুনর্জন্মের জন্য প্রয়োজনীয় স্টেম কোষের চাবিকাঠি এখানে থাকতে পারে। গবেষকরা প্রাণীদের মডেলের উপর গবেষণা করছেন, যেগুলোর ত্বক মানুষের ত্বকের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেলে, এবং কীভাবে এই রিজগুলো তৈরি হয় সে সম্পর্কে সূত্র খুঁজছেন। আশা করা হচ্ছে যে এই গবেষণা শেষ পর্যন্ত ত্বকের বার্ধক্যকে বিপরীত করার পদ্ধতি তৈরি করতে পারে।
নেচার থেকে আসা অন্য একটি খবরে, ইউক্যারিওটসে প্রোটিন কমপ্লেক্সের কোট্রান্সলেশনাল অ্যাসেম্বলি (cotranslational assembly) নিয়ে ২০১৮ সালের একটি পেপারের লেখকের ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। এক্সটেন্ডেড ডেটা ফিগ ৪ডি (Extended Data Fig. 4d) ভুল করে এক্সটেন্ডেড ডেটা ফিগ ২এ (Extended Data Fig. 2a)-এর আংশিক নকল হিসাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যেখানে কিছু স্ট্রেইন ভুলভাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সংশোধিত চিত্রগুলি এখন উপলব্ধ, এবং এই সংশোধন অধ্যয়নের ফলাফল বা উপসংহারকে প্রভাবিত করে না।
অন্যদিকে, টাইম ম্যাগাজিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহের কথা জানিয়েছে, যা ২০১৮ সালের প্রথম দিকে শুরু হয়েছিল। রাশিয়ান সাবমেরিনের ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপ এবং আর্কটিকে চীনের উপস্থিতি বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময়, ট্রাম্প এই ধারণার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন যে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থানের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেখানে একটি বৃহত্তর, স্থায়ী উপস্থিতি প্রয়োজন। হোয়াইট হাউসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা এবং কথোপকথনটির সাথে পরিচিত অন্য একজন ব্যক্তির মতে, ট্রাম্প বিশ্বাস করতেন উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে গ্রিনল্যান্ডের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বছরের মে মাসে, রোনাল্ড লাউডার ট্রাম্পকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে ডেনমার্কের অর্থনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করতে পারে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment