নরওয়েজীয় পুলিশ সূত্রে খবর, নরওয়ের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থরবিয়র্ন জগল্যান্ড প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তদন্তের অধীনে রয়েছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ক্রিটিক্যাল মিনারেলস শিল্পে চীনের আধিপত্য কমাতে একটি উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই-উত্পাদিত কন্টেন্টের বিস্তার নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য আন্তর্জাতিক খবরের সাথে এই ঘটনাগুলি বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের বিষয়গুলি তুলে ধরে।
বিবিসি-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, নরওয়ের পুলিশ জগল্যান্ডের বিরুদ্ধে "গুরুতর দুর্নীতি"-র সন্দেহে একটি দুর্নীতি তদন্ত শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টাইন ফাইল থেকে এই তদন্তের সূত্রপাত। কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই জগল্যান্ডের কূটনৈতিক দায়মুক্তি প্রত্যাহারের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের কাছে অনুরোধ করেছে, যা তিনি একজন সিনিয়র বিদেশি কূটনীতিক হিসাবে তাঁর আগের ভূমিকার কারণে পেয়েছেন। জগল্যান্ডের আইনজীবী তদন্তে তাঁর মক্কেলের সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে, যুক্তরাষ্ট্রীয় পররাষ্ট্র দফতর বুধবার প্রথম ক্রিটিক্যাল মিনারেলস মিনিস্ট্রিয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যার লক্ষ্য ছিল ক্রিটিক্যাল মিনারেলসের জন্য একটি বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা। এর উদ্দেশ্য হল এই শিল্পে চীনের আধিপত্য কমানো, যা স্মার্টফোন থেকে শুরু করে অস্ত্র তৈরি করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় খনিজগুলির সহজলভ্যতা এবং প্রাপ্তি নিয়ে আলোচনা করেন।
একই সময়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই-উত্পাদিত কন্টেন্টের উত্থান বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে। বিবিসি কর্তৃক উদ্ধৃত একটি উদাহরণে দেখা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি করা দরিদ্র শিশুদের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে, যদিও এর বিষয়বস্তুতে অযৌক্তিক এবং অবাস্তব উপাদান ছিল। থিওডোর ছবিটির প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, "এটা আমার মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছে।"
অন্যান্য খবরে, বিবিসি-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের একটি দম্পতি জানতে পেরেছেন যে একটি হোটেল কক্ষে তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত গোপনে রেকর্ড করা হয়েছে এবং একটি সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলে হাজার হাজার মানুষের কাছে সম্প্রচার করা হয়েছে। এরিক এবং তাঁর বান্ধবী হিসাবে চিহ্নিত ওই দম্পতি লুকানো ক্যামেরা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। এরিক নিয়মিত যে পর্নোগ্রাফি চ্যানেলটি ব্যবহার করতেন, সেই চ্যানেলের ব্যবহারকারীরা তাঁদের ফুটেজ দেখতে পারতেন।
সবশেষে, থাইল্যান্ডে, একটি প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, পিপলস পার্টি, নির্বাচনী সাফল্যকে বাস্তব নীতিতে পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। দলটির প্রার্থী সুত্তাসিট "ম্যাকি" পোট্টাসাক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য তাঁর প্রচেষ্টার বর্ণনা দিয়েছেন। বিবিসি-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, "তিনি প্রতিদিন তাঁর দলের নীতি সম্পর্কে হালকা-মেজাজের ভিডিও তৈরি করেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ লক্ষ ভিউ পাচ্ছে।"
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment