ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) এবং কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (CBP) কর্তৃক বায়োমেট্রিক নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্বেগ বেড়ে যাওয়ায়, স্থানীয় সম্প্রদায় এবং সরকারি নেতাদের কাছ থেকে ICE-এর আটক কেন্দ্র সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা উল্লেখযোগ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। টাইম ম্যাগাজিনের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের "বিগ বিউটিফুল বিল" নতুন আটক কেন্দ্রগুলোর জন্য ICE-কে ৪৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে, যা অভিবাসন enforcement-এর জন্য ১৭০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের একটি অংশ।
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ICE ইতিমধ্যে অন্তত আটটি রাজ্যে ভবন অধিগ্রহণের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মেরিল্যান্ডে ১০২ মিলিয়ন ডলার, পেনসিলভানিয়ায় ৮৪ মিলিয়ন ডলার এবং গত মাসে অ্যারিজোনায় ৭০ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি ক্রয়। তবে, এই পরিকল্পনাগুলো সম্প্রদায় এবং সম্ভাব্য বিক্রেতাদের প্রতিরোধের সম্মুখীন হচ্ছে।
এদিকে, সেনেটর মার্কেলির নেতৃত্বে সিনেট ডেমোক্র্যাটদের একটি দল ICE Out of Our Faces Act উত্থাপন করেছে, যার লক্ষ্য ICE এবং CBP-কে মুখ এবং কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ এবং অন্যান্য বায়োমেট্রিক নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা থেকে নিষিদ্ধ করা, Ars Technica জানিয়েছে। বিলটিতে বিদ্যমান ডেটা মুছে ফেলার এবং ব্যক্তি ও রাজ্য অ্যাটর্নি জেনারেলদের লঙ্ঘনের জন্য মামলা করার অনুমতি দেওয়ারও কথা বলা হয়েছে। Ars Technica অনুসারে, বিলটির সমর্থক প্রতিনিধি জয়পাল যুক্তি দিয়েছেন যে এই প্রযুক্তিগুলো নাগরিক এবং অ-নাগরিক উভয়কেই লক্ষ্য করে "বিপজ্জনক নজরদারি জাল" তৈরি করে।
অন্যান্য খবরে, কানাডা এবং ফ্রান্স গ্রিনল্যান্ডে কনস্যুলেট খুলছে, যেখানে আইসল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক উপস্থিতি স্থাপন করেছে, বিবিসি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে। অতীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চলটি অধিগ্রহণের আগ্রহের মধ্যে এই পদক্ষেপটি গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসনের প্রতি সমর্থন হিসাবে দেখা হচ্ছে। এই মিশনগুলো বিদেশি সম্পৃক্ততার একটি ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ এবং ক্রমাগত ন্যাটো (NATO) সমর্থনের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে কানাডার কনস্যুলেট খোলার সিদ্ধান্ত, যা মূলত ২০২৫ সালের শেষের দিকে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা দ্রুত করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী আর্কটিক পররাষ্ট্রনীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
অতিরিক্তভাবে, সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টাইন নথিগুলোতে (Epstein documents) প্রযুক্তি এবং রাজনীতির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বসহ প্রভাবশালী পুরুষদের একটি নেটওয়ার্কের কথা প্রকাশ করা হয়েছে, যারা MeToo আন্দোলনের সক্রিয়ভাবে বিরোধিতা করেছিল, The Verge জানিয়েছে। ফাঁস হওয়া যোগাযোগের মাধ্যমে উন্মোচিত এই সমন্বিত প্রচেষ্টা, তাদের প্রভাব বজায় রাখতে এবং জবাবদিহি এড়াতে এই ব্যক্তিরা কতটা পথ গিয়েছিলেন, তা তুলে ধরে, যা ক্ষমতার গতিশীলতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে।
সবশেষে, একাধিক সংবাদ সূত্র অনেক অলিম্পিয়ানের আর্থিক কষ্টের কথা তুলে ধরেছে, যার উদাহরণ হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিঙ্ক্রোনাইজড সাঁতারু ড্যানিয়েলা রামিরেজ, যিনি ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে রৌপ্য পদক জেতা সত্ত্বেও তার খরচ মেটাতে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সিংয়ের উপর নির্ভর করেন, Fortune জানিয়েছে। রামিরেজ টিকটক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে একজন অলিম্পিক অ্যাথলিটের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি উপার্জন করেন, যা उन সকল অলিম্পিয়ানদের মধ্যে একটি সাধারণ বাস্তবতা যাদের উচ্চ-প্রোফাইল ক্রীড়াবিদদের মতো লাভজনক স্পনসরশিপ চুক্তি নেই।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment