যুক্তরাষ্ট্র ক্রিটিক্যাল মিনারেলস শিল্পে চীনের আধিপত্য মোকাবেলার জন্য একটি নতুন উদ্যোগ চালু করেছে, একই সাথে আর্কটিক অঞ্চলে কূটনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চলমান চ্যালেঞ্জগুলোর সম্মুখীন হচ্ছে। বিবিসি টেকনোলজি অনুসারে, বুধবার স্টেট ডিপার্টমেন্ট প্রথম ক্রিটিক্যাল মিনারেলস মিনিস্টেরিয়াল ইভেন্টের আয়োজন করে, যেখানে যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সহ বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা একত্রিত হয়েছিল।
স্মার্টফোন এবং অস্ত্রের মতো জিনিস তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ক্রিটিক্যাল মিনারেলসের জন্য একটি বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করাই যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্টার লক্ষ্য। প্রতিনিধিরা এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর প্রাপ্যতা এবং প্রাপ্তি নিয়ে আলোচনা করেন। একই সময়ে, কানাডা এবং ফ্রান্স গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুুকে কনস্যুলেট খোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা ডেনমার্ক এবং আর্কটিক দ্বীপের প্রতি সমর্থন প্রদর্শন করে, এমনটাই দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ সুরক্ষিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বের আগ্রহের ধারাবাহিকতা।
অন্যান্য আন্তর্জাতিক উন্নয়নে, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল দ্বীপের গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনায় বসতে তার সরকারের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, দ্য গার্ডিয়ানের বরাত দিয়ে এমনটাই জানা যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে কয়েক মাস ধরে হুমকির পর এই ঘটনা ঘটল।
এদিকে, শীতের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ইউক্রেন তার জ্বালানি অবকাঠামোর উপর আরও হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং রাশিয়ান ড্রোন থেকে নিজেদের সুরক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, আল জাজিরার মতে। ইউক্রেনের জ্বালানি মন্ত্রী ডেনিস শ্মিহাল ইউক্রেনীয়দের আসন্ন দিনগুলোতে আরও বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য প্রস্তুত থাকতে সতর্ক করেছেন, কারণ রাশিয়ার বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment