এখানে প্রদত্ত তথ্যগুলির সারসংক্ষেপ করে একটি সংবাদ নিবন্ধ দেওয়া হলো:
আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ: গরুর মাংস আমদানি, বিক্ষোভ এবং কূটনৈতিক উত্তেজনা
মিলান, ইতালি - গত সপ্তাহান্তে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে গরুর মাংস আমদানির বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত, শীতকালীন অলিম্পিককে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ এবং মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় চলমান কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ। এই ঘটনাগুলি অর্থনৈতিক নীতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক চালচলনের দ্বারা চিহ্নিত একটি জটিল বিশ্ব পরিস্থিতি তুলে ধরে।
যুক্তরাষ্ট্রে, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর্জেন্টিনার গরুর মাংসের স্বল্প শুল্কযুক্ত আমদানি বাড়ানোর জন্য একটি ঘোষণা স্বাক্ষর করেছেন, যা দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার ঘোষিত এই পদক্ষেপের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবাদি পশু পালনকারীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদরা পরামর্শ দিয়েছেন যে এর ফলে ভোক্তাদের বাজারে দামের উপর সামান্য প্রভাব পড়বে। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে অক্টোবরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা দ্য গার্ডিয়ান-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, ইতালিতে, মিলানে শীতকালীন অলিম্পিকের একটি ভেন্যুর কাছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জল কামান ব্যবহার করেছে, যা স্কাই নিউজে প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে প্রায় ১০,০০০ মানুষ অংশ নেয়, যেখানে তারা ক্রমবর্ধমান আবাসন খরচ এবং গেমসের পরিবেশগত প্রভাবের প্রতিবাদ জানাচ্ছিল। প্রায় ১০০ জন বিক্ষোভকারীর একটি ছোট দল, যাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশ পরে ছিল, মূল বিক্ষোভ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং পটকা, ধোঁয়ার বোমা ও বোতল ছোড়ে।
অন্যত্র, কূটনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে, মাস্কাটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে, যা আল জাজিরায় প্রকাশিত হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আলোচনায় উভয় পক্ষের প্রাথমিক অবস্থানে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি, যা আলোচনার ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহানাদ সিলোমের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহ নির্ধারণ করবে যে আলোচনা ভবিষ্যতের অগ্রগতির ভিত্তি স্থাপন করেছে নাকি কেবল সম্ভাব্য উত্তেজনার আগে সময় কিনেছে, যা আল জাজিরায় প্রকাশিত হয়েছে।
কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায়, সরকার নতুন ঘৃণা ভাষণ আইনের অধীনে "নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত" ফিলিস্তিনপন্থী স্লোগান নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত হয়েছে। কুইন্সল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেল নিশ্চিত করেছেন যে এই শব্দগুচ্ছ, সেইসাথে "বৈশ্বিক ইন্তিফাদা" নিষিদ্ধ শব্দ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সবশেষে, সৌদি আরব সুদানে র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর হামলার পরে "বিদেশি হস্তক্ষেপের" নিন্দা করেছে, যা আল জাজিরায় প্রকাশিত হয়েছে। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুদানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং উত্তর ও দক্ষিণ কোর্দোফান রাজ্যে আরএসএফের হামলার নিন্দা করেছে, যার ফলে নারী ও শিশুসহ কয়েক ডজন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment