প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি টাইম আর্টিকেলের খবর অনুযায়ী, ৪.৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ডেট্রয়েট, মিশিগান এবং উইন্ডসর, অন্টারিও-কে সংযোগকারী গোর্ডি হাও আন্তর্জাতিক সেতুটি চালু করতে বাধা দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার বিষয়টি তুলে ধরেন।
টাইমের খবর অনুযায়ী, ট্রাম্পের পোস্টটিতে কানাডার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কানাডার সেতুটির উভয় অংশের মালিকানা দাবি করা, যা ২০১৮ সালে নির্মাণ শুরু হয়েছিল এবং প্রায় শেষের দিকে। তিনি অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের অভাব নিয়েও অভিযোগ করেন এবং অন্টারিও কিছু মার্কিন-উৎপাদিত অ্যালকোহল পণ্য মজুদ করতে অস্বীকার করছে বলেও অভিযোগ করেন। এছাড়াও, ট্রাম্প দুগ্ধজাত পণ্যের ওপর কানাডার শুল্ককে একটি বিতর্কের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দৃশ্যপটও পরিবর্তন হচ্ছে। টাইম-এর খবর অনুযায়ী, টেক্সাসে সিনেট নির্বাচন বেশ উত্তপ্ত হচ্ছে, যেখানে টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, রিপাবলিকান প্রাইমারিতে মার্কিন সিনেটর জন কর্নিনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর ফলে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিতর্ক দেখা দিয়েছে, যারা প্যাক্সটনকে পরাজিত করার যোগ্য মনে করেন। মার্চের ৩ তারিখে প্রাথমিক নির্বাচনের জন্য আগাম ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল, উভয় দলের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো কাদা ছোড়াছুড়ির পূর্বাভাস দিয়েছে।
ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যানের ভূমিকাও এখন আলোচনার বিষয়। এনপিআর-এর একটি নিবন্ধে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নিং বোর্ডের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে কেভিন ওয়ার্শকে মনোনীত করার ঘোষণার ফল। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাগজে-কলমে চেয়ারম্যানের ক্ষমতা খুব বেশি নাও থাকতে পারে।
অন্যান্য খবরে, একটি ভক্স আর্টিকেলে আমেরিকার ক্যাথলিক বামপন্থীদের নীরব পুনরুজ্জীবনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে প্রগতিশীল ক্যাথলিকরা "ম্যাগা"-র (MAGA) মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নিবন্ধটিতে আমেরিকান খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি "নীরব ঠান্ডা যুদ্ধ" চলার বর্ণনা করা হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) -এর বার্ষিক সম্মেলনেও বৈশ্বিক গতিশীলতা প্রদর্শিত হয়েছে। একটি টাইম আর্টিকেল অনুসারে, ধনী দেশগুলো ক্ষমতা নিয়ে লড়াইয়ে লিপ্ত ছিল, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, অন্যদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির মধ্যপন্থী শক্তিগুলো গুন্ডাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বিষয়ে সতর্কবার্তা ভালোভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। তবে, চীনকে এই সম্মেলনে দেখা যায়নি।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment