প্রিন্স উইলিয়ামকে সৌদি আরবে তার আসন্ন সরকারি সফরে ম্যানচেস্টারের একজন আটক ব্যক্তির মামলায় হস্তক্ষেপ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে, যেখানে হংকংয়ের নেতা একজন গণতন্ত্রপন্থী কর্মীর কারাদণ্ডের রায় উদযাপন করেছেন এবং পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত বন্ধের কারণে বাণিজ্য স্থবির হয়ে আছে। এই ঘটনাগুলো, সেলসফোর্স এবং পালাতীরের অভ্যন্তরীণ আলোচনা সহ, যেখানে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE)-এর সাথে তাদের কাজ নিয়ে আলোচনা করছে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, মানবাধিকার উদ্বেগ এবং কর্পোরেট দায়িত্বের একটি জটিল চিত্র তুলে ধরে।
স্কাই নিউজ অনুসারে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রিন্স উইলিয়ামকে একটি চিঠি লিখেছে, যেখানে তাকে সৌদি আরবে আটক ম্যানচেস্টারের বাসিন্দা আহমেদ আল-দৌশের মামলাটি তার প্রথম সরকারি সফরে উত্থাপন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আল-দৌশ, যিনি চার সন্তানের জনক এবং ব্যাংক অফ আমেরিকার একজন সিনিয়র ব্যাংকিং বিশ্লেষক ছিলেন, তিনি ছুটি থেকে ফেরার সময় আটক হন বলে জানা গেছে।
হংকংয়ে, শহরের নেতা জন লি, ব্রিটিশ গণতন্ত্রপন্থী কর্মী জিমি লাইকে দেওয়া ২০ বছরের কারাদণ্ডের রায় উদযাপন করেছেন, যেমনটি স্কাই নিউজ জানিয়েছে। লি বলেছেন যে মিডিয়া টাইকুন শহরটিকে "বিষাক্ত" করেছেন এবং তার এই মন্তব্যগুলো যুক্তরাজ্য সহ পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনার মুখে এসেছে। একই সাথে, চীন একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে যেখানে বাকস্বাধীনতা ও ভিন্নমত দমনের জন্য ব্যবহৃত একটি জাতীয় নিরাপত্তা আইনকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
এদিকে, ওয়্যার্ডের খবর অনুযায়ী, সেলসফোর্সের কর্মীরা একটি অভ্যন্তরীণ চিঠি প্রচার করছেন, যেখানে তারা সিইও মার্ক বেনিয়ফকে ICE-এর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের নিন্দা করতে, অভিবাসন এজেন্টদের দ্বারা সেলসফোর্স সফটওয়্যার ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে এবং সংস্থাটির সংস্কারের জন্য ফেডারেল আইন সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন। চিঠিতে বিশেষভাবে মিনিয়াপলিসে রেনি গুড এবং অ্যালেক্স প্রিত্তির সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পালাতীরের কর্মীরাও ICE-এর সাথে কোম্পানির কাজ সম্পর্কে জানতে চাইছে। ওয়্যার্ডের খবর অনুযায়ী, পালাতীরের সিইও অ্যালেক্স কার্প ICE-এর সাথে কোম্পানির জড়িত থাকার বিষয়ে প্রায় এক ঘণ্টার একটি ভিডিও কথোপকথন রেকর্ড করেছেন, যা কর্মীদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ আলোচনা এবং কর্মীদের কাছ থেকে কোম্পানির অবস্থান জানার আগ্রহ থেকে এই ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল।
সবশেষে, এনপিআর পলিটিক্স অনুসারে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পথে বাণিজ্য বিঘ্নিত হচ্ছে। তোরখাম সীমান্ত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে, যার ফলে ট্রাক চালকরা আটকা পড়েছে এবং বাণিজ্যে প্রভাব পড়েছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment