এখানে একটি সংবাদ নিবন্ধ যা প্রদত্ত উৎস সামগ্রীর সারসংক্ষেপ:
প্রাক্তন ন্যাটোর প্রধান অ্যান্ডার্স ফগ রাসমুসেন ইউরোপ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন, একই সাথে জর্জিয়ার ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে এফবিআইয়ের তদন্ত চলছিল এবং একজন ফেডারেল বিচারক একটি আদালতের আদেশে "কর্মক্ষেত্রে দুর্ব্যবহার"-এর কথা স্বীকার করেছেন, যা সবই ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে। এছাড়াও, হাউস একটি অভিবাসন তদারকি শুনানির আয়োজন করে এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত বন্ধ ছিল, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পথে বাণিজ্যকে পঙ্গু করে দেয়।
ডেনমার্কের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং ন্যাটোর প্রাক্তন প্রধান অ্যান্ডার্স ফগ রাসমুসেন মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আগে এনপিআরের মেরী লুইজ কেলির সাথে কথা বলেন, যেখানে তিনি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার বর্তমান গতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করেন। মঙ্গলবার উন্মোচন করা একটি হলফনামা অনুসারে, রাসমুসেনের এই আলোচনা এমন সময় হয় যখন জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টিতে ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে এফবিআইয়ের তদন্ত শুরু হয়, যা ট্রাম্প প্রশাসনের হয়ে পূর্বে কাজ করা একজন আইনজীবী শুরু করেন। এফবিআইয়ের বিশেষ এজেন্ট হিউ রেমন্ড ইভান্সের লেখা হলফনামাটির ভিত্তিতে আটলান্টার বাইরে ফুলটন কাউন্টির নির্বাচন কেন্দ্রে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এই সময়ে, একজন ফেডারেল বিচারক তদন্তকারীদের কাছে স্বীকার করেছেন যে তাদের আদালতের কক্ষে, "কখনও কখনও কর্মক্ষেত্রে দুর্ব্যবহারের সৃষ্টি হয়েছে," যা মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ সার্কিটের আপিল আদালত কর্তৃক প্রকাশিত একটি আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই আদেশে কোভিড মহামারীর সময় বিচারকের ক্লার্কদের প্রতি হয়রানি, মৌখিক নির্যাতন এবং খামখেয়ালি আচরণের অভিযোগ বর্ণনা করা হয়েছে। একজন ল ক্লার্ক বুলিংয়ের অভিযোগ করার পর বিচারক সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিতে রাজি হন।
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ তারিখে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ক হাউস কমিটি একটি অভিবাসন তদারকি শুনানির আয়োজন করে। শুনানিতে ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের কমিশনার রডনি স্কট, ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসের পরিচালক জোসেফ এডলো এবং ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্স সাক্ষ্য দেন।
উপরন্তু, এনপিআর-এর খবর অনুযায়ী, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পথে বাণিজ্যকে পঙ্গু করে দেয়। আফগান ট্রাক চালক আনোয়ার জাদরান সহ আরও অনেকে এই সীমান্ত বন্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment