যুক্তরাজ্যের আদালত: সরকার কর্তৃক ফিলিস্তিনপন্থী গোষ্ঠীকে বেআইনিভাবে চুপ করানো হয়েছে
শুক্রবার ব্রিটেনের হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে, সরকার কর্তৃক ফিলিস্তিন অ্যাকশন নামক প্রতিবাদী সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তটি বেআইনি ছিল, যদিও আপিলের শুনানির জন্য নিষেধাজ্ঞাটি বহাল রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ভিক্টোরিয়া শার্প এবং জোনাথন এই রায় দেন। এই রায়ে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিবাদ ও কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত সংগঠনটির বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
ফিলিস্তিন অ্যাকশনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার পরেই আদালতের এই সিদ্ধান্ত আসে। তবে, সরকারের নিষেধাজ্ঞাটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (The Associated Press) খবর অনুযায়ী, হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের আপিলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাটি বহাল থাকবে। সংগঠনটি বিভিন্ন প্রতিবাদে জড়িত ছিল, যার মধ্যে ছিল আরএএফ ব্রাইজ নর্টনে (RAF Brize Norton) ভাঙচুর, যেখানে স্প্রে পেইন্ট দিয়ে বিমানের ক্ষতি করা হয়।
এদিকে, ওই অঞ্চলে অন্যান্য ঘটনাও ঘটছে। এনপিআর-এর (NPR) একটি প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ২০২৩ সালের অক্টোবরের শেষের দিকে, হামাস কর্তৃক ইসরায়েলে হামলার কয়েক সপ্তাহ পরেই, যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার জন্য কৌশল তৈরি করেন। "গাজা এক্সিট স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড দ্য মর্নিং আফটার" শিরোনামের ওই স্মারকলিপিতে বাইডেন প্রশাসনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল ফিলিস্তিনি এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত প্রতিষ্ঠা করা।
অন্যান্য খবরে, টাইম-এর (Time) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS) বন্ধ হওয়ার কথা ছিল, পুনরায় চালু করার কোনো সুস্পষ্ট পথ ছিল না। শ্বেত ভবন এবং কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে অভিবাসন বিষয়ক সংস্কার নিয়ে অচলাবস্থা দেখা দেওয়ায় বর্তমান কংগ্রেসের তৃতীয়বারের মতো আংশিক সরকার বন্ধ হয়ে যায়। এই অচলাবস্থা মূলত ডেমোক্র্যাটদের দাবিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে, যেখানে তারা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) এবং কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (CBP)-এর এজেন্টদের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলছেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও কিছু ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। ভক্স (Vox) জানিয়েছে, ট্রাম্প "গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে তার যুদ্ধে আরও একটি পরাজয়" বরণ করেছেন।
এছাড়াও, চলচ্চিত্র শিল্প রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে। ভ্যারাইটি (Variety) অনুসারে, মাহনাজ মোহাম্মাদি বার্লিন ফিল্ম "রোয়া"-তে ইরানের এভিন কারাগারের চিত্র তুলে ধরার বিষয়ে আলোচনা করেছেন, যেখানে "স্থানান্তর, নীরবতা এবং বিভাজন"-এর মাধ্যমে গল্পটি বলার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment