ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই সপ্তাহে জটিল সব চ্যালেঞ্জ ও পদক্ষেপের সম্মুখীন হয়েছে, যার মধ্যে সামরিক অভিযান, অভিবাসন নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন সংবাদ সূত্রে প্রকাশিত এই ঘটনাগুলো সাবেক প্রেসিডেন্টের প্রভাব এবং তাঁর নীতির চলমান প্রভাবের গভীরতা তুলে ধরেছে।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সবচেয়ে বিস্তৃত সামরিক অভিযানগুলোর মধ্যে একটি ছিল সোমালিয়ায়, যেখানে গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ১০০টিরও বেশি বোমা হামলা চালিয়েছিল, যা ভক্স-এর তথ্যমতে জানা যায়। অন্যান্য ভূ-রাজনৈতিক ঘটনার কারণে এই পদক্ষেপটি প্রায়শই আলোচনার বাইরে ছিল, তবে এটি অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কার্যক্রমের ওপর প্রশাসনের মনোযোগের বিষয়টি তুলে ধরে।
একই সময়ে, টাইম এবং ফিজ.অর্গ-এর প্রতিবেদনে জানা যায়, অভিবাসন বিষয়ক বিতর্কের জেরে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ আংশিক অচলাবস্থার সম্মুখীন হয়। সিনেটর ফেটারম্যান তাঁর দলের সঙ্গে মতবিরোধ করে একটি অর্থ বিলের পক্ষে ভোট দেন, যা এই ইস্যুর বিতর্কিত প্রকৃতিকে নির্দেশ করে। এর আগে ট্রাম্প গণহারে বিতাড়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যা ভক্স-এর মতে, জনসমর্থনে পতনের কারণ হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ট্রাম্পের অভিবাসন বিষয়ক নীতি বাস্তবায়নের ফলে আমেরিকানদের সমর্থন কমে গেছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইরানের প্রতি ট্রাম্পের অবস্থান ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ফরচুন-এর খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেছিলেন যে ইরানে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে তা ভালো হবে, যা মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠানোর সঙ্গে মিলে যায়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার পর করা এই মন্তব্যগুলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ছাড়াও বর্তমান শাসনের অবসানের মতো বৃহত্তর ছাড়ের ইঙ্গিত দেয়।
সংবাদটিতে অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোও উঠে এসেছে, যার মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অন্যতম। ফিজ.অর্গ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি কমেছে, যা সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment