যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি জানুয়ারিতে কমেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, কারণ ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কয়েক লক্ষ মানুষ যোগ দিয়েছে। শ্রম বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে শেষ হওয়া ১২ মাসে ভোক্তা মূল্য সূচক ২.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মে মাসের পর থেকে সবচেয়ে ধীর গতি, যার কারণ ছিল ব্যবহৃত গাড়ির দাম কমে যাওয়া (বিবিসি বিজনেস)। একই সময়ে, শনিবার বিশ্ব নেতাদের এক সমাবেশের পাশে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে (স্কাই নিউজ)।
মুদ্রাস্ফীতির এই পতন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার কমানোর অবস্থানে রয়েছে এমন যুক্তিতর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে, যেমনটা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্যরা পরামর্শ দিয়েছেন (বিবিসি বিজনেস)। তবে, কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন যে ফেডারেল রিজার্ভের ২% লক্ষ্যমাত্রার দিকে অগ্রগতি থমকে যেতে পারে যদি কোম্পানিগুলো শুল্কের খরচ বহন করে অথবা শ্রমের অভাবের কারণে দাম বাড়ে (বিবিসি বিজনেস)।
একইসঙ্গে, আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, সম্ভাব্য আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরবিরোধী ধারণা পেশ করছে। ওয়াশিংটন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করতে এবং দেশটির পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে চায়, যা ইরান ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে (আল জাজিরা)। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে "সরকার পরিবর্তন হলে সেটাই সবচেয়ে ভালো হবে", কারণ যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে সামরিক সম্পদ মোতায়েন করা অব্যাহত রেখেছে (স্কাই নিউজ)। ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি তেহরানের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানানোর পরেই এই মন্তব্য আসে, যা ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দেয় (স্কাই নিউজ)।
অন্যান্য খবরে, একজন মার্কিন ফেডারেল বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক এল সালভাদরের একটি কুখ্যাত কারাগারে পাঠানো কিছু ভেনেজুয়েলার নির্বাসিত ব্যক্তিকে তাদের মামলা লড়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার অনুমতি দিতে হবে (দ্য গার্ডিয়ান)। নির্বাসিতদের মধ্যে একজন, লুইস মুñoz, আশা ও ভয় দুটোই প্রকাশ করে বলেছেন, "আমি এখনো সেই দুঃস্বপ্ন থেকে বেরোতে পারিনি" (দ্য গার্ডিয়ান)।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment