যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি জানুয়ারিতে কমেছে, যেখানে শনিবার, ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে জার্মানির মিউনিখে ইরানের সরকারের বিরুদ্ধে কয়েক লক্ষ বিক্ষোভকারী সমাবেশ করে, যা বিশ্ব নেতাদের একটি সমাবেশের সঙ্গে মিলে যায়। এছাড়াও, একজন মার্কিন ফেডারেল বিচারক রায় দিয়েছেন যে কিছু ভেনেজুয়েলার বিতাড়িত ব্যক্তি তাদের মামলা লড়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারবে।
শ্রম দপ্তর অনুসারে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি কমেছে, যেখানে ভোক্তা মূল্য সূচক (consumer price index) গত ১২ মাসে ২.৪% বেড়েছে, যা আগের মাসের ২.৭% থেকে কম। বিবিসি বিজনেস-এর খবর অনুযায়ী, এটি মে মাসের পর থেকে সবচেয়ে ধীর গতি ছিল, যার কারণ ছিল জ্বালানি এবং ব্যবহৃত গাড়ির দাম কমে যাওয়া। এই ঘটনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কমানোর পক্ষে যুক্তি দিতে পারে।
একই সময়ে, প্রায় ২,০০,০০০ থেকে ২,৫০,০০০ মানুষ ইরানের শাসনের বিরুদ্ধে জার্মানির মিউনিখে বিক্ষোভ করে, যখন বিশ্ব নেতারা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে মিলিত হন। স্কাই নিউজ এবং ইউরোনিয়ুজ-এর খবর অনুযায়ী, ইরানের নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভি তেহরানের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানানোর পরেই এই বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা ১৯৭৯ সালের আগের ইরানের পতাকা বহন করে এবং শ্লোগান দেয়, যা শাসনের পরিবর্তনের আহ্বান জানায়। স্কাই নিউজ-এর মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে, ইরানে শাসনের পরিবর্তন "সবচেয়ে ভালো জিনিস হতে পারে।"
আরেকটি ঘটনায়, একজন মার্কিন ফেডারেল বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক এল সালভাদরের একটি কুখ্যাত কারাগারে পাঠানো কিছু ভেনেজুয়েলার বিতাড়িত ব্যক্তিকে তাদের মামলা লড়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হোক। এই রায়টি বিতাড়িতদের মধ্যে আশা এবং আত্ম-প্রতিষ্ঠা এনেছে, তবে একই সঙ্গে ভীতিও সৃষ্টি করেছে। বিতাড়িতদের একজন, লুইস মুñoz পিন্টো, যিনি এল সালভাদরে ছিলেন এবং দ্য গার্ডিয়ান-এ উদ্ধৃত হয়ে বলেছেন, "আমি এখনও সেই দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি পাইনি।"
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment