মার্কো রুবিও শনিবার মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে সিনেটর জানান যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প "এমন একটি সমাধান চান যা একেবারে রক্তপাত বন্ধ করবে," খবরটি প্রকাশ করেছে ফক্স নিউজ। ইউক্রেন যখন রাশিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চাইছে, তখন এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
ফক্স নিউজের খবর অনুযায়ী, লড়াই বন্ধ হলে জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিশ্রুতি আদায় করেছেন বলে জানা গেছে, যদিও রাশিয়া তার আঞ্চলিক দাবিতে অটল রয়েছে এবং ন্যাটো সৈন্যের উপস্থিতি প্রত্যাখ্যান করেছে। সম্মেলনের এক পাশে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আরও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইরানে regime change-এর দাবিতে বিক্ষোভ হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির জন্য সরকার পরিবর্তনকে সেরা ফল হিসেবে বর্ণনা করার একদিন পর এই ঘটনা ঘটে। মেলবোর্ন, এথেন্স, টোকিও এবং লন্ডনের মতো বিশ্বজুড়ে শহরগুলোতেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরমাণু আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা ছিল।
অন্যান্য খবরে, বিবিসি ওয়ার্ল্ডের খবর অনুযায়ী, শনিবার উত্তর-পশ্চিম নাইজেরিয়ার তিনটি গ্রামে ভোরবেলা মোটরসাইকেলে আসা বন্দুকধারীরা ডজনখানেক মানুষকে হত্যা করেছে। এই হামলাগুলো মাসের শুরুতে সন্দেহভাজন জিহাদি গণহত্যার কাছাকাছি স্থানে ঘটেছিল, যেখানে ভুক্তভোগীদের গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়, সেইসাথে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং অজানা সংখ্যক মানুষকে অপহরণ করা হয়।
এছাড়াও, ফ্রান্সের বৃহত্তম ধর্ষণ মামলার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নারী, জিসেলে পেলিকট, বিবিসি নিউজনাইটকে বলেছেন যে তিনি "ভয়ে ভেঙে পড়েছিলেন" যখন জানতে পারেন যে তার স্বামী বছরের পর বছর ধরে তাকে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করেছেন। স্বামীর অপরাধের মাত্রা উপলব্ধি করার মুহূর্তটি তিনি "একটি সুনামির মতো" বলে বর্ণনা করেছেন।
সবশেষে, বিবিসি বিজনেসের খবর অনুযায়ী, প্রিন্স অ্যান্ড্রু-এর বিরুদ্ধে সরকারি নথি শেয়ার করার আরও একটি অভিযোগ উঠেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে তিনি তার ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক যোগাযোগের একজনের সাথে ট্রেজারি ব্রিফিং শেয়ার করেছেন। টেলিগ্রাফে প্রকাশিত ইমেইল থেকে জানা যায় যে ২০১০ সালে তৎকালীন প্রিন্স অ্যান্ড্রু আইসল্যান্ডের ব্যাংকিং সমস্যা সম্পর্কে ট্রেজারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিলেন, যা পরে তিনি তার এক ব্যবসায়িক সঙ্গীর সাথে শেয়ার করেন। এর ফলে প্রাক্তন প্রিন্সের তার সরকারি ভূমিকার ব্যবহার আরও বেশি সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment