মার্কো রুবিও, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শনিবার মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ফক্স নিউজ অনুসারে জানান যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প "এমন একটি সমাধান চান যা একেবারে রক্তপাত বন্ধ করবে।" ফক্স নিউজ-এর খবর অনুযায়ী, এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে যখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিশ্রুতি আদায় করেছেন যদি যুদ্ধ বন্ধ হয়।
রুবিও এক্সে (সাবেক টুইটার) বৈঠকের একটি ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে ইউক্রেনের নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের মধ্যে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে রুবিও সহ মার্কিন কর্মকর্তারা এখন সংঘাতের সমাধানে আলোচনার ওপর জোর দিচ্ছেন, সেখানে ইউরোপীয় কর্মকর্তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে যুদ্ধবিরতি বা শান্তি চুক্তি রাশিয়ার পদক্ষেপগুলো থামাতে পারবে কিনা, যা নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যান্য আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহে, বিবিসি-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আপস করতে রাজি বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি বিবিসিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র রাজি থাকলে ইরান নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করবে। তবে, মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন যে ইরানই অগ্রগতির পথে বাধা। রুবিও শনিবার বলেছেন, ট্রাম্প একটি চুক্তি পছন্দ করলেও ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা "খুব কঠিন", বিবিসি ওয়ার্ল্ডের খবর অনুযায়ী।
এদিকে, নাইজেরিয়ায় বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিবিসি ওয়ার্ল্ডের খবর অনুযায়ী, শনিবার ভোরে উত্তর-পশ্চিম নাইজেরিয়ার তিনটি গ্রামে মোটরসাইকেলে আসা বন্দুকধারীরা ডজনখানেক মানুষকে হত্যা করেছে। শনিবার সকালে হওয়া এসব হামলায় গুলি, গলা কাটা, অগ্নিসংযোগ এবং "অনির্ণীত" সংখ্যক মানুষকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলাগুলো এমন একটি জায়গার কাছে ঘটেছে যেখানে চলতি মাসের শুরুতে সন্দেহভাজন জিহাদি হামলায় ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।
অন্যান্য খবরে, বিবিসি বিজনেসের খবর অনুযায়ী, প্রিন্স অ্যান্ড্রু একজন ব্যাংকিং পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে একটি সরকারি ট্রেজারি নথি শেয়ার করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। টেলিগ্রাফে প্রকাশিত ইমেইল থেকে জানা যায় যে ২০১০ সালে তৎকালীন প্রিন্স অ্যান্ড্রু আইসল্যান্ডের ব্যাংকিং সমস্যা সম্পর্কে ট্রেজারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিলেন। এরপর এই ব্রিফিংটি জোনাথন রোল্যান্ডের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছিল, যিনি একজন ব্যবসায়ী সহযোগী এবং যার বাবা একটি ব্যর্থ আইসল্যান্ডিক ব্যাংকের অংশীদারিত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এই পরিস্থিতি প্রাক্তন প্রিন্সের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে, কারণ তিনি তার সরকারি পদকে ব্যক্তিগত সহযোগীদের কাছে সরকারি তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অপব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment