পাঁচটি ইউরোপীয় দেশ আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ক্রেমলিন সমালোচক অ্যালেক্সি নাভালনিকে হত্যা করার জন্য বিষাক্ত ডার্ট ব্যাঙের বিষ ব্যবহার করার অভিযোগ এনেছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন এবং নেদারল্যান্ডস এই অভিযোগ করেছে যে, দুই বছর আগে আর্কটিকের একটি কারাগারে বন্দী থাকাকালীন নাভালনিকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। মস্কো এই অভিযোগকে অপপ্রচার হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলো ২০২৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি, শনিবার এই অভিযোগ করে। বিষের প্রকৃতি এবং কীভাবে এটি প্রয়োগ করা হয়েছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এই অভিযোগ রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
অন্য একটি খবরে, জেফরি এপস্টাইনের মানব পাচার চক্রের একজন ভুক্তভোগী, ভিকটিমদের বছরের পর বছর ধরে আটকে রাখার জন্য ব্যবহৃত মানসিক নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। স্কাই নিউজ-এর খবর অনুযায়ী, ওই নারী, যিনি কেপ টাউন থেকে এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপ এবং খামারে পাচার হয়েছিলেন, তিনি বলেছেন, তার নিয়োগকারীরা তাকে যৌন নির্যাতনের সময় "হাসছিল"। তিনি এই নিয়ন্ত্রণকে "অদৃশ্য শিকল" হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এদিকে, টেকক্রাঞ্চের খবর অনুযায়ী, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর রিপোর্টে জানা গেছে, ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS) প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE)-এর সমালোচনাকারী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোর মালিকদের শনাক্ত করার জন্য চাপ বাড়িয়েছে। বিভাগটি শত শত সাবপোয়েনা পাঠিয়েছে, যার মধ্যে প্রশাসনিক সাবপোয়েনাও রয়েছে, যার জন্য বিচার বিভাগীয় অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। ব্লুমবার্গ পাঁচটি মামলার কথা জানিয়েছে যেখানে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বেনামী ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করতে চেয়েছিল, তবে মালিকদের মামলা করার পর তারা সাবপোয়েনা প্রত্যাহার করে নেয়।
প্রযুক্তি বিশ্বে, ইলন মাস্কের xAI অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সম্মুখীন হচ্ছে। দ্য ভার্জ-এর খবর অনুযায়ী, SpaceX xAI অধিগ্রহণ করার ঘোষণা দেওয়ার পর অন্তত ১১ জন প্রকৌশলী এবং দুইজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা কোম্পানি ছেড়ে চলে গেছেন। কোম্পানি ছেড়ে যাওয়া সূত্রগুলো নিরাপত্তা বিষয়ে কোম্পানির অবজ্ঞা নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে।
সবশেষে, দ্য ভার্জ-এর খবর অনুযায়ী, জিকিপিডিয়া নামের একটি নতুন প্রকল্প এআই ব্যবহার করে জেফরি এপস্টাইনের সহযোগীদের ইমেল-এর ভিত্তিতে বিস্তারিত তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে। এই তথ্যভাণ্ডারে এপস্টাইনের সম্পত্তিগুলোতে তাদের আসা-যাওয়ার তথ্য, তার অপরাধ সম্পর্কে সম্ভাব্য জ্ঞান এবং সম্ভাব্য আইনি লঙ্ঘনের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment