নাসা তাদের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (Space Launch System) রকেটের জ্বালানি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে, যা আর্টেমিস III মিশনের আগে করতে হবে। এই মিশনটি অ্যাপোলো প্রোগ্রামের পর প্রথম ক্রুযুক্ত মিশন হতে চলেছে, যা চাঁদে অবতরণ করবে বলে নাসা প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান জানিয়েছেন। এরই মধ্যে, একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে কয়েক বিলিয়ন বছর আগে প্রাচীন মঙ্গল গ্রহ উষ্ণ এবং আর্দ্র ছিল, যা আগের তত্ত্বগুলির বিরোধী। অন্যদিকে, একজন শীর্ষস্থানীয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের "সভ্যতার বিলুপ্তি" দাবির বিরোধিতা করেছেন।
আর্টেমিস II মিশন, যা এই মাসের শুরুতে একটি উৎক্ষেপণ উইন্ডো মিস করার পর ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে লঞ্চ প্যাডে রয়েছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিতীয় কাউন্টডাউন রিহার্সালের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। টেকনিশিয়ানরা ২ ফেব্রুয়ারি একটি অনুশীলন কাউন্টডাউন রান সংক্ষিপ্ত করার জন্য হাইড্রোজেন ফুয়েল লিক (hydrogen fuel leak) মেরামতের চেষ্টা করছেন, আর্স টেকনিকা সূত্রে খবর। আর্টেমিস III মিশনের লক্ষ্য হল চাঁদে একটি ক্রু অবতরণ করানো, যা ৫০ বছরেরও বেশি সময় আগে অ্যাপোলো প্রোগ্রামের পর আর হয়নি।
আর্স টেকনিকাতে বিস্তারিতভাবে প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, নোয়াকিয়ান যুগে (Noachian epoch) মঙ্গল গ্রহ উষ্ণ এবং আর্দ্র ছিল, যা প্রায় ৪.১ থেকে ৩.৭ বিলিয়ন বছর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এই আবিষ্কারটি সেই তত্ত্বের বিরোধী, যেখানে বলা হয়েছিল এই যুগটি মূলত ঠান্ডা এবং বরফপূর্ণ ছিল। এর ফলে সেই সময়ে গ্রহে জীবনের বিকাশের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। পৃথিবীর মতো, মঙ্গলের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসও বিভিন্ন যুগে বিভক্ত।
অন্যান্য খবরে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি প্রধান কাজা কাল্লাস রবিবার মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, যেখানে তিনি ইউরোপের "সভ্যতার বিলুপ্তি" হওয়ার ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন। এনপিআর নিউজ (NPR News) অনুসারে, ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনার পরেই এই প্রতিক্রিয়া আসে। কাল্লাসের এই বক্তব্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি কিছুটা আশ্বস্ত করার বার্তার পরেই আসে।
অন্যান্য বৈজ্ঞানিক খবরে, একটি গবেষণায় জানা গেছে যে মাঝারি পরিমাণে ক্যাফিন গ্রহণ স্মৃতিভ্রংশতার ঝুঁকি কমাতে পারে, নেচার নিউজ (Nature News) সূত্রে খবর। এই গবেষণায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সবশেষে, ১৯৬৭ সালে উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার জঙ্গলে ক্যামেরাবন্দী হওয়া ৭ ফুট লম্বা, বানরের মতো একটি প্রাণীর ছবি আজও কৌতূহল জাগায়। ছবিটি জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে অসংখ্যবার ব্যবহৃত হয়েছে এবং এমনকি একটি ইমোজি-ও রয়েছে। যদিও বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বাস করে যে এটি কোনো ধরনের প্রতারণা ছিল, এমন কিছু লোক আছে যারা যুক্তি দেখান যে এটি এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা প্রমাণিত হয়নি, আর্স টেকনিকা সূত্রে খবর।
AI Experts & Community
Be the first to comment