দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইম্প্যাক্ট সামিটের শুরুতে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, যেখানে সম্ভাব্য প্রধান বক্তা বিল গেটসের অনুপস্থিতির খবর বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। একই সময়ে, জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনায় "নির্দেশনামূলক নীতি" গৃহীত হয়। এদিকে, কসোভোতে যুদ্ধাপরাধ বিচারের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে এরিক ইসরায়েলি ড্রোন প্রস্তুতকারক সংস্থায় বিনিয়োগ করেন, যা স্বার্থের সংঘাতের উদ্বেগ বাড়ায়। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায়, ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়, যা বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
বিবিসি টেকনোলজি অনুসারে, এআই বিপ্লবকে গাইড করার জন্য ডিজাইন করা এআই ইম্প্যাক্ট সামিটে প্রথমে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। বিল গেটসের উপস্থিতি নিয়ে পরস্পরবিরোধী খবর আসে, যদিও গেটস ফাউন্ডেশন পরে নিশ্চিত করে যে তিনি তার মূল ভাষণ দেবেন। এই সম্মেলনে প্রযুক্তিবিদ, রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ এবং প্রচারকদের একত্রিত করা হয়েছিল, যেখানে এআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, জেনেভায়, ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মূল নির্দেশনামূলক নীতিতে পৌঁছেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তৃতীয় দফা আলোচনার জন্য কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কসোভোতে প্রাক্তন কোসোভো লিবারেশন আর্মি (কেএলএ) নেতাদের বিচারের বিরুদ্ধে, যাদের মধ্যে একজন প্রাক্তন প্রেসিডেন্টও ছিলেন, প্রিস্টিনাতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৯৮-১৯৯৯ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। কসোভোর স্বাধীনতা দিবসের ১৮তম বার্ষিকীতে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে এরিক ট্রাম্প, ইসরায়েলি ড্রোন প্রস্তুতকারক এক্সটেন্ড এবং ফ্লোরিডা ভিত্তিক একটি নির্মাণ সংস্থার মধ্যে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের একীভূতকরণে বিনিয়োগ করেছেন। ট্রাম্প পরিবার তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটানোয় এই বিনিয়োগ স্বার্থের সংঘাতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
স্কাই নিউজ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের দিকে আরও এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ইরান কৌশলগত জলপথে মহড়া চালিয়েছে, যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং ট্যাংকার দখলের অনুশীলন করা হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র হামলা করতে পারে, যেখানে ইরানের কর্মকর্তারা বর্তমান প্রস্তাবিত শর্তগুলিকে "আত্মসমর্পণের সমতুল্য" হিসেবে দেখছেন।
AI Experts & Community
Be the first to comment