হামাস গাজায় পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর, যেখানে মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং পরিবেশ বিষয়ক সিদ্ধান্তের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিভিন্ন সংগঠন, একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে এমনটাই জানা গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যে এই ঘটনাগুলো ঘটছে।
বিবিসি ওয়ার্ল্ডের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর হামাস গাজায় পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে। যুদ্ধে সংগঠনটির সামরিক ইউনিটগুলো ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল এবং এর বেশিরভাগ নেতা নিহত হয়েছিল, সেই সঙ্গে গাজার অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, সংঘর্ষের সময় ইসরায়েলি হামলায় ৭০,০০০ এর বেশি গাজাবাসী নিহত হয়েছে। চার মাস পর, গাজাবাসীরা বলছে হামাস আবারও জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে।
এদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত তিনটি নৌকায় হামলা চালিয়েছে, এতে ১১ জন নিহত হয়েছে বলে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে চালানো এই হামলায় সেপ্টেম্বরের পর থেকে মৃতের সংখ্যা ১৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
অন্যান্য খবরে, আল জাজিরা জানিয়েছে, এক ডজনেরও বেশি স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার (ইপিএ) বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এই সিদ্ধান্তটি, যা বিপদজনক সিদ্ধান্ত হিসেবে পরিচিত, গ্রিনহাউস গ্যাস জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশগত নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রমাণ করেছিল।
আল জাজিরা আরও জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখনো চলছে এবং জাপোরিঝিয়া ও দোনেৎস্ক অঞ্চলে লড়াই চলছে। রাশিয়ান বাহিনী গত ২৪ ঘন্টায় ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে একাধিক হামলা চালিয়েছে, এতে একজন নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছে বলে আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে। হামলায় ৪৪৮টি ড্রোন এবং ১৬৩টি আর্টিলারি হামলা চালানো হয়, যার ফলে ১৩৬টি বাড়িঘর, গাড়ি ও অন্যান্য কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়াও, দ্য গার্ডিয়ান-এর খবর অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিচারকরা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন। আইসিসি-র বিচারক কিম্বার্লি প্রোস্ট বলেছেন, এগুলো আদালতের নিরপেক্ষভাবে এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতাকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে চাপানো হয়েছে।
AI Experts & Community
Be the first to comment