যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষীরা ২০২৫ অর্থবছরে ৫৫,০০০-এর বেশি ভ্রমণকারীর ইলেকট্রনিক ডিভাইস তল্লাশি করেছে। কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সি.বি.পি.) কর্তৃক পরিচালিত এই তল্লাশিতে বন্দরগুলোতে ফোন, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ডিভাইস লক্ষ্য করা হয়েছিল। সংস্থাটি জানিয়েছে, ডিজিটাল নিষিদ্ধ জিনিস, সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত বিষয়বস্তু এবং দর্শকদের প্রবেশযোগ্যতাকে প্রভাবিত করে এমন তথ্য সনাক্ত করার লক্ষ্যে এই তল্লাশি চালানো হয়েছে।
আগের দুই বছরের তুলনায় এই তল্লাশির সংখ্যা বেড়েছে। তবে, এটি ২০২৫ অর্থবছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা প্রস্থানকারী ৪২ কোটি ভ্রমণকারীর মধ্যে প্রায় ০.০১ শতাংশের মতো সামান্য একটি অংশ।
মার্চ মাসে একজন ফরাসি বিজ্ঞানীকে ফেরত পাঠানোর পরে এই তল্লাশি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ফরাসি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমালোচনামূলক বার্তার কারণে নেওয়া হয়েছিল। মার্কিন কর্মকর্তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
সি.বি.পি. চতুর্থ সংশোধনী সুরক্ষার ব্যতিক্রমের অধীনে এই তল্লাশির জন্য বিস্তৃত কর্তৃত্ব বজায় রাখে। সি.বি.পি.-র মুখপাত্র জেসিকা টার্নার বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এই তল্লাশি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তল্লাশির বৈধতা এবং পরিধি নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। আরও আইনি চ্যালেঞ্জ এবং নীতিগত স্পষ্টীকরণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment