জানুয়ারি ১, ২০২৬ তারিখে এনপিআর-এর মর্নিং এডিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চীনে নিযুক্ত প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নস যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যেকার বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাণিজ্য উত্তেজনা, শুল্ক এবং তাইওয়ানের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে আলোচনাটি কেন্দ্রীভূত ছিল।
সাক্ষাৎকারে বাণিজ্য বিরোধের বিষয়টি উঠে আসে, যা গত এপ্রিলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনা পণ্যের উপর শুল্ক বৃদ্ধি করলে বেড়ে গিয়েছিল, যার ফলস্বরূপ চীন মার্কিন রপ্তানির উপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। এক পর্যায়ে, উভয় দেশের আরোপিত শুল্ক ১০০টিরও বেশি পণ্যের উপর প্রভাব ফেলেছিল। অক্টোবরে, একটি আংশিক চুক্তি হয় যেখানে যুক্তরাষ্ট্র কিছু আমদানি শুল্ক হ্রাস করে, যার বিনিময়ে চীন বিরল মৃত্তিকা খনিজগুলির উপর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে।
বার্নস যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরেন, তিনি উল্লেখ করেন যে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি হলেও, উত্তেজনা রয়ে গেছে, বিশেষ করে তাইওয়ানের প্রতি মার্কিন নীতি নিয়ে। স্ব-শাসিত দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি দুটি দেশের মধ্যে বিবাদের একটি কারণ হিসাবে রয়ে গেছে।
আলোচনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে, যা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক দিকগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সম্পর্ক সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতা উভয় বৈশিষ্ট্যযুক্ত, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্যের মতো পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলি প্রায়শই বাণিজ্য অনুশীলন, মানবাধিকার এবং আঞ্চলিক সুরক্ষা নিয়ে মতানৈক্যের কারণে চাপা পড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ এখনও অনিশ্চিত, বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে আরও উত্তেজনা এড়াতে এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় দেশকেই এই জটিল সমস্যাগুলি সাবধানে সমাধান করতে হবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment