মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দী করার পর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেল অবকাঠামোতে প্রধান মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ এবং পরিচালনার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে এই কোম্পানিগুলো "সেখানে যাবে, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করবে, খারাপভাবে ভেঙে যাওয়া অবকাঠামো, তেলের অবকাঠামো মেরামত করবে এবং দেশের জন্য অর্থ উপার্জন শুরু করবে।"
ট্রাম্পের এই ঘোষণা এমন এক জটিল সন্ধিক্ষণে এসেছে যখন বিশ্ব তেল বাজার এবং ভেনেজুয়েলার তেল শিল্প উভয়ই সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও, ভেনেজুয়েলা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধান তেল কোম্পানিগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে। অনেক কোম্পানি অতীতে দেশটির অভ্যন্তরেoperational চ্যালেঞ্জের কারণে পিছিয়ে গেছে।
বিশ্ব তেল বাজার বর্তমানে অতিরিক্ত সরবরাহের সম্মুখীন, যা ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলারের নিচে তেলের দামের কারণ। উপরন্তু, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং অন্যান্য বিকল্প শক্তির উৎসের দিকে বিশ্ব ক্রমশ ঝুঁকতে থাকায় তেলের চাহিদার দীর্ঘমেয়াদী প্রক্ষেপণ অনিশ্চিত। এই পরিবর্তন ভেনেজুয়েলার মতো তেল সমৃদ্ধ দেশগুলোতে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের কথা বিবেচনা করা তেল কোম্পানিগুলোর জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর পরিচালনার সম্ভাবনা দেশটির তেল শিল্পের ভবিষ্যৎ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এর সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলে। মাদুরোর বন্দী এবং পরবর্তীতে ট্রাম্পের ঘোষণা ভেনেজুয়েলার প্রতি মার্কিন নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নির্দেশ করে, যা বিশ্ব শক্তি বাজারের জন্য সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে। মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর ভেনেজুয়েলায় প্রবেশের সঠিক প্রক্রিয়া এবং সময়সীমা এখনও অস্পষ্ট, এবং আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও উন্নয়নের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment