সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই নিষ্কাশন প্রক্রিয়াগুলো দ্রুততর হয়েছে, যার ফলে অস্বাভাবিক ত্রিকোণীয় ফাটলের নকশা তৈরি হয়েছে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হিমবাহের ভিত্তি পানিতে প্লাবিত হয়েছে। গবেষকরা এমন কিছু ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছেন যেখানে নিষ্কাশিত পানি নীচ থেকে বরফকে উপরের দিকে ঠেলে দিয়েছে, যা ফোস্কার মতো প্রভাব সৃষ্টি করেছে। বিজ্ঞানীরা প্রথম ১৯৯৫ সালের পর্যবেক্ষণ রেকর্ডে হ্রদটি সনাক্ত করেন। ইনস্টিটিউট অনুসারে, এর আগে 79N হিমবাহের এই অংশে কোনও হ্রদ ছিল না।
১৯৯৫ সালে গলিত জলের হ্রদ তৈরি হওয়া 79N হিমবাহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল। গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, হ্রদ থেকে নির্গত জল এখন বিশাল ফাটল সৃষ্টি করছে এবং হিমবাহকে উপরে তুলছে। এই নিষ্কাশন প্রক্রিয়াগুলোর ক্রমবর্ধমান ফ্রিকোয়েন্সি এবং তীব্রতা হিমবাহের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা এবং এটি তার আগের মৌসুমী ছন্দে ফিরে আসতে পারবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এই গবেষণা গ্রিনল্যান্ডের বরফের স্তূপের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং হিমবাহ গলানোর সাথে জড়িত জটিল প্রক্রিয়াগুলোকে তুলে ধরে। এই ফলাফলগুলো গলিত জলের গতিশীলতা কীভাবে হিমবাহের আচরণ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে সে সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা দেয়। বিজ্ঞানীরা এখন ভবিষ্যতের নিষ্কাশন প্রক্রিয়াগুলোর পূর্বাভাস দেওয়া এবং 79N হিমবাহ ও এর আশেপাশের পরিবেশের উপর তাদের সম্ভাব্য পরিণতিগুলো মূল্যায়ন করার দিকে মনোনিবেশ করছেন।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment