মোজাম্বিকের একজন প্রাইমেটোলজিস্ট মনে করেন যে বেবুনের উপর গবেষণা মানব বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি দিতে পারে। গোংরোসা ন্যাশনাল পার্কে পালিও-প্রাইমেট প্রোজেক্ট (পিপিপি)-এর সাথে কর্মরত রাসিনা ফারাসি ধূসর পায়ের চ্যাকমা বেবুন পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি তাদের আচরণকে আমাদের হোমিনিড পূর্বপুরুষদের বোঝার একটি জানালা হিসেবে দেখেন।
ফারাসি ২০১৭ সালে পিপিপি-এর সাথে কাজ শুরু করেন। পার্কের অনাবিষ্কৃত জীবাশ্ম স্থান, যা ২০১৬ সালের মতোই সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র সরবরাহ করে। পিপিপি জীবাশ্ম এবং জীবিত প্রাইমেট উভয়টির অধ্যয়নকে একত্রিত করে। অক্টোবর ২০২৫ সালে, ফারাসিকে একটি বিলুপ্ত তৃণভোজী প্রাণী আর্সিনোথেরিয়ামের খুলি ধরে ছবি তোলা হয়েছিল। এই আবিষ্কার থেকে বোঝা যায় যে গোংরোসা একসময় পূর্ব আফ্রিকার উপকূলীয় বনাঞ্চলের অংশ ছিল।
ফারাসির কাজ আদিম মানব বিকাশের বিষয়ে আমাদের ধারণাকে নতুন আকার দিতে পারে। বেবুনের সামাজিক কাঠামো এবং অভিযোজন অধ্যয়নের মাধ্যমে, গবেষকরা আদিম হোমিনিডদের আচরণ সম্পর্কে অনুমান করতে পারেন। পালিও-প্রাইমেট প্রোজেক্ট গোংরোসা ন্যাশনাল পার্কে তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে খনন এবং প্রাইমেট বিষয়ক গবেষণা মানব উৎপত্তির বিষয়ে আরও নতুন তথ্য দিতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment