ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সা’আর মঙ্গলবার সোমালিল্যান্ডের রাজধানী হারগেইসাতে পৌঁছান। ইসরায়েল সম্প্রতি সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর এটিই প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক সফর। সোমালিল্যান্ডের সরকারি সূত্র অনুযায়ী, সা’আর সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিরহমান মোহামেদ আবদুল্লাহির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
গত মাসে ইসরায়েলের স্বীকৃতি এটিকে সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশে পরিণত করেছে, যা ৩০ বছরেরও বেশি আগে ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমালিল্যান্ডের একজন কূটনৈতিক সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, এই সফরের উদ্দেশ্য হল দুটি সত্তার মধ্যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলের স্বীকৃতিকে "একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত" হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে, সোমালিয়া এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, এটিকে তার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। সা’আর এর আগে ইসরায়েলের সিদ্ধান্তের ব্যাপক সমালোচনাকে "ভণ্ডামি" বলে খারিজ করে দিয়েছেন।
সোমালিল্যান্ড, একটি প্রাক্তন ব্রিটিশ protectorate, সিয়াড বারে শাসনের পতনের পর ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ব্যাপক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও, সোমালিল্যান্ড একটি কার্যকরী সরকার, নিজস্ব মুদ্রা এবং নিরাপত্তা বাহিনী বজায় রেখেছে। এটিকে প্রায়শই আফ্রিকার হর্নের একটি অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল এবং গণতান্ত্রিক অঞ্চল হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সা’আরের সফর নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এবং অন্যান্য দেশগুলোর এই পথ অনুসরণ করার সম্ভাবনা এখনো দেখার বিষয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment