ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে ভেনেজুয়েলা ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করবে, যা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ পথকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করতে পারে এবং সম্ভবত চীনে সরবরাহ কমাতে পারে। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অনলাইনে এই কথিত চুক্তির ঘোষণা করেন, এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হিসেবে অভিহিত করেন।
ট্রাম্প বলেছেন যে তেলটি বাজার মূল্যে বিক্রি করা হবে এবং এর থেকে প্রাপ্ত অর্থ তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসাবে, যাতে ভেনেজুয়েলা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ উপকৃত হয়। ভেনেজুয়েলার সরকারি কর্মকর্তা এবং রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা পিডিভিএসএ এখনও এই ঘোষণা সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেনি।
এই কথিত চুক্তিটি ট্রাম্পের পূর্বের দাবির পরে এসেছে যেখানে তিনি ভেনেজুয়েলাকে মার্কিন তেল সংস্থাগুলোর জন্য উন্মুক্ত হতে অথবা আরও সামরিক হস্তক্ষেপের ঝুঁকি নিতে বলেছিলেন। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে মার্কিন সংস্থাগুলো ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদনে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। তবে, বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা এবং প্রভাব সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল মজুদ রয়েছে, তবে বছরের পর বছর ধরে চলা অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এর উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। দেশটির লক্ষ লক্ষ ব্যারেল তেল ইতিমধ্যে লোড করা আছে এবং রপ্তানির জন্য প্রস্তুত। ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রের দিকে স্থানান্তরিত হলে তা ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে চীনের জন্য, যারা ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেলের প্রধান আমদানিকারক।
পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, এবং ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিতকরণের অভাবে চুক্তির বিবরণ এবং প্রয়োগযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন সংস্থাগুলোর ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদনে বিনিয়োগের সম্ভাবনাও অনিশ্চিত, কারণ এতে জটিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভেনেজুয়েলার উভয় সূত্র থেকে আরও তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী ঘটনাগুলোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment