মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু চুক্তি এবং আরও কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বুধবার এই পদক্ষেপটি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা ৬৬টি সংস্থাকে প্রভাবিত করবে, যার প্রায় অর্ধেকই জাতিসংঘের সাথে যুক্ত। জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন, যা উষ্ণতা রোধে বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার ভিত্তি, সেটিও এর মধ্যে রয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই সংস্থাগুলো "আর আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করে না" এবং "অকার্যকর বা শত্রুভাবাপন্ন এজেন্ডা" প্রচার করে। এই সিদ্ধান্তটি করদাতাদের অর্থের অপচয় হয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে একটি পর্যালোচনার পর নেওয়া হয়েছে। যে সকল গোষ্ঠীকে "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের চেয়ে বিশ্ববাদী এজেন্ডা" এগিয়ে নিতে দেখা গেছে, তাদের জন্য তহবিল এবং সংশ্লিষ্টতা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া দ্রুত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক দেশ জলবায়ু পরিবর্তন এবং অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বহুপাক্ষিক সহযোগিতাকে অপরিহার্য মনে করে। এই প্রত্যাহার আন্তর্জাতিক বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ট্রাম্প এর আগে তার অপছন্দনীয় সংস্থাগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়েছিলেন এবং মনুষ্যসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনকে "ধোঁকা" বলে বাতিল করেছিলেন। এই সর্বশেষ পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা থেকে আরও দূরে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
এই প্রত্যাহারের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি এখনও দেখার বাকি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ সম্পর্কে আরও ঘোষণার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment