যুদ্ধবিরতি ঘোষণা সত্ত্বেও, গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে। গত তিন মাসে ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আরও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি হামলার কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র তিন মাস আগে গাজা নিয়ে ২০ দফা পরিকল্পনা পেশ করেছিল। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
পরিকল্পনা উন্মোচনের পর থেকে, ইসরায়েল গাজার অর্ধেকের বেশি অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এই বিভাজন পরিকল্পনার আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে। চলমান হামলা এবং ভূমি নিয়ন্ত্রণ শান্তির ঘোষিত লক্ষ্যের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য পরিস্থিতি এখনও সংকটজনক।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো অবিলম্বে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানাচ্ছে। তারা সহিংসতার সমাপ্তি দাবি করছে। ত্রাণ সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে সংগ্রাম করছে। অভাবের কারণে মানবিক প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনের সর্বশেষ প্রচেষ্টা হলো বর্তমান শান্তি পরিকল্পনা। আগের চুক্তিগুলো স্থায়ী স্থিতিশীলতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। ভূমি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া আশা করা হচ্ছে। আরও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রত্যাশিত। যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার দিকে মনোযোগ থাকবে। গাজার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ঘটনাগুলো ২০২৬ সালের ৮ই জানুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment