লেবানন জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার ক্ষেত্রে অগ্রগতির দাবি করেছে। লেবাননের সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে যে তারা তাদের নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন করেছে। এই পরিকল্পনাটি ইসরায়েলের সাথে হিজবুল্লাহর যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানো চুক্তির অংশ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির এক বছরেরও বেশি সময় পরে এই ঘোষণাটি আসে। লেবাননের সরকার হিজবুল্লাহর মতো দলগুলোকে নিরস্ত্র করার জন্য তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে, যেমনটি যুদ্ধবিরতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সামরিক বিবৃতিতে সরাসরি হিজবুল্লাহর নাম উল্লেখ করা না হলেও, ইসরায়েলি এবং মার্কিন কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা সতর্ক করে দিয়েছে যে নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া থমকে গেলে ইসরায়েলি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয় নিরস্ত্রীকরণকে "উৎসাহব্যঞ্জক শুরু" বলে অভিহিত করেছে। তবে তারা বলেছে এটি "যথেষ্ট নয়"। ইসরায়েল ক্রমাগত অভিযোগ করে আসছে যে হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত হচ্ছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিস্তৃত সামরিক অবকাঠামো রয়ে গেছে। তারা ইরান সরকারের সহায়তায় দলটিকে পুনর্গঠনের অভিযোগ করেছে।
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধ লেবাননকে বিধ্বস্ত করেছে। যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য ছিল স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির একটি মূল শর্ত।
নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপটি এখনও অস্পষ্ট। যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নের জন্য লেবাননের উপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment