ইরানের অভ্যন্তরে চলমান অস্থিরতার প্রতিক্রিয়ায় সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট সোমবার বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও বিমান হামলাসহ সামরিক বিকল্পগুলো বিবেচনাধীন রয়েছে।
লিভিট সাংবাদিকদের বলেন, "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বিশেষত্ব হলো তিনি সবসময় তার সমস্ত বিকল্প খোলা রাখেন। প্রধান সেনাপতির জন্য বিমান হামলা তেমনই অনেক বিকল্পের মধ্যে একটি।"
ইরানে চলমান ব্যাপক বিক্ষোভ ও দাঙ্গা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে এই অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। বিক্ষোভের সুনির্দিষ্ট ধরন এবং সরকারের দমন-পীড়ন আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির একটি ধারাবাহিকতা। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়। এই বহুজাতিক চুক্তিটি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার জন্য করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা হয়। ইরানের পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আঞ্চলিক সংঘাতগুলোতে দেশটির ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগের কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
সামরিক বিকল্প বিবেচনার বিষয়টি ইতিমধ্যে বিপর্যস্ত সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, সামরিক পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে এবং এটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে।
ইরানের পক্ষ থেকে ঠিক কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে সামরিক প্রতিক্রিয়া শুরু হবে, সে বিষয়ে প্রশাসন কিছু জানায়নি। পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল এবং মার্কিন সরকার ইরানের ঘটনাগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং একই সাথে তাদের বিকল্পগুলো বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment