উত্তর-পশ্চিম ইস্রায়েলে অবস্থিত প্রাচীন শহর একর, এর ভালোভাবে সংরক্ষিত হসপিটালার দুর্গের মাধ্যমে ক্রুসেডের এক ঝলক দেখায়। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম দীর্ঘকাল ধরে ক্রমাগত জনবসতিপূর্ণ শহর হিসেবে বিবেচিত একর, যা আক্কো নামেও পরিচিত, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইতিহাসের বিভিন্ন স্তর প্রদর্শন করে।
হসপিটালার দুর্গে আসা দর্শনার্থীরা এর সুড়ঙ্গ এবং হলগুলি ঘুরে দেখতে পারেন, যা এখন বেশিরভাগই ভূগর্ভস্থ। এখানে প্রক্ষিপ্ত আলো চলমান চিত্র প্রদর্শন করে, যেখানে নাইট হসপিটালারদের (যাদের পরে মাল্টার নাইট বলা হত) একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শোভাযাত্রায় দেখানো হয়েছে। দুর্গ জাদুঘরটি কার্যকরভাবে শহরের বিভিন্ন সভ্যতার ইতিহাস বর্ণনা করে।
দুর্গের পাশে রয়েছে আল-জাজ্জার মসজিদ, যেখানে নবী মুহাম্মদের একটি চুল আছে বলে বিশ্বাস করা হয়। মসজিদটি একরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের আরেকটি স্তরকে উপস্থাপন করে।
ভূমধ্যসাগরের দিকে প্রসারিত একটি উপদ্বীপে একরের কৌশলগত অবস্থান এটিকে ইতিহাসজুড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত করেছে। এর আঁকাবাঁকা রাস্তা এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্য ক্রুসেডার, অটোমান এবং ব্রিটিশসহ বিভিন্ন সাম্রাজ্য এবং সংস্কৃতির প্রভাব প্রতিফলিত করে। শহরটির ইতিহাস ক্রুসেডের বৃহত্তর বর্ণনার সাথে জড়িত, যা পবিত্র ভূমি দখলের জন্য খ্রিস্টান এবং মুসলমানদের মধ্যে সংঘটিত ধারাবাহিক ধর্মীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধের মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্যের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
ইস্রায়েলে একটি নিউজ অ্যাসাইনমেন্ট থেকে বিরতির সময় সাংবাদিকের সফর সংক্ষিপ্ত হলেও, এই অভিজ্ঞতা একরের স্থায়ী наслегকে তুলে ধরেছে, যেখানে ইতিহাস জীবন্ত হয়ে ওঠে। শহরটি তার বিচিত্র অতীত অন্বেষণ করতে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব ইতিহাসে এর তাৎপর্য বুঝতে আগ্রহী পর্যটক এবং গবেষকদের আকর্ষণ করে চলেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment