"প্যান্ডোরোগেট" নামে পরিচিত এই তদন্তটি ফেরাগ্নির বিরুদ্ধে প্যান্ডোরো কেকের বিক্রির সাথে যুক্ত দাতব্য অনুদানের বিষয়ে ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগের উপর কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছিল। কেক প্রস্তুতকারক সংস্থা ব্যালোক্কো কেকটি বাজারে আনার আগে হাসপাতালের জন্য এককালীন ৫০,০০০ ইউরো (প্রায় ৫৪,০০০ মার্কিন ডলার) দান করেছিল। তবে অভিযোগ করা হয়, ফেরাগ্নির প্রচারণায় এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে, বিক্রির সাথে সরাসরি অনুদানের যোগসূত্র রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেরাগ্নির সংস্থাগুলি এই উদ্যোগ থেকে ১ মিলিয়ন ইউরো আয় করেছে।
এই ঘটনাটি ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংয়ের ক্রমবর্ধমান নিরীক্ষণ এবং দাতব্য প্রচারে ভুল উপস্থাপনের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। ইনফ্লুয়েন্সারদের তাদের দর্শকদের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব থাকায়, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি তাদের প্রচারণার নৈতিক ও আইনি সীমা পরীক্ষা করতে শুরু করেছে, বিশেষ করে যখন এটি দাতব্য কাজের সাথে যুক্ত থাকে। এখানে "অ্যালগরিদমিক স্বচ্ছতা" ধারণাটি প্রাসঙ্গিক, কারণ যে অ্যালগরিদমগুলি ইনফ্লুয়েন্সার কন্টেন্টকে প্রসারিত করে, সেগুলি বিভ্রান্তিকর তথ্যকেও প্রসারিত করতে পারে। তাই প্ল্যাটফর্মগুলির জন্য এটা নিশ্চিত করা জরুরি যে স্পনসর করা কন্টেন্ট যেন স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা থাকে এবং ইনফ্লুয়েন্সাররা যেন তাদের দাবির যথার্থতার জন্য দায়বদ্ধ থাকে।
এই খালাস অনুরূপ মামলাগুলির জন্য আইনগত নজির স্থাপন করে না, কারণ প্রতিটি ঘটনার বিচার তার নির্দিষ্ট ঘটনা ও পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে করা হয়। তবে, এটি ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংয়ে প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য প্রমাণ করার জটিলতাকে তুলে ধরে, বিশেষ করে যখন দাতব্য অনুদান সম্পর্কে সূক্ষ্ম দাবি জড়িত থাকে। এই সিদ্ধান্ত ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং, বিশেষ করে দাতব্য প্রচারণার ক্ষেত্রে আরও স্পষ্ট নির্দেশিকা এবং প্রবিধানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিতে পারে।
ইনস্টাগ্রামে ২৮ মিলিয়ন ফলোয়ার থাকা ফেরাগ্নিকে ইস্টার ডিম বিক্রির সাথে জড়িত অভিযোগেরও মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা একটি দাতব্য সংস্থার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে বলে বলা হয়েছিল। দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় অন্য দুই অভিযুক্তকেও নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে। ফেরাগ্নি দোষী সাব্যস্ত হলে কারাদণ্ড হতে পারত। ফেরাগ্নির ব্র্যান্ড এবং জন ভাবমূর্তির উপর এই কেলেঙ্কারির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনও দেখার বিষয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment