মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের শুরু ঘোষণা করেছে। মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আজ এই ঘোষণা দেন। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হল গাজায় একটি টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এটি দুই বছরের যুদ্ধের পর অঞ্চলটির পুনর্গঠনও চায়।
প্রথম ধাপে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এর মধ্যে ছিল জিম্মি-বন্দী বিনিময় এবং ইসরায়েলের আংশিক প্রত্যাহার। গাজায় ত্রাণ সাহায্যও পাঠানো হয়। দ্বিতীয় ধাপ পুনর্গঠন ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। এর মধ্যে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত।
উইটকফ হামাসকে তার বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য সতর্ক করেছেন। তিনি বিশেষভাবে শেষ মৃত ইসরায়েলি জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সম্মতি জানাতে ব্যর্থ হলে গুরুতর পরিণতি হবে। দ্বিতীয় ধাপের মূল বিষয়গুলো সম্ভাব্য বাধার সম্মুখীন হতে পারে। হামাস এর আগে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ছাড়া নিরস্ত্র হতে অস্বীকার করেছিল। ইসরায়েল গাজা থেকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি এখনও ভঙ্গুর। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামাসের কাছ থেকে সম্পূর্ণরূপে সম্মতি আশা করে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ। ভবিষ্যতের অগ্রগতি চুক্তিগুলোর আনুগত্যের উপর নির্ভর করে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment