ইউক্রেন তার জ্বালানি খাতের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণাটি রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার ফলস্বরূপ। এই হামলায় বিদ্যুত এবং হিটিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ১,৪২১তম দিনে, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি এই ঘোষণাটি আসে।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি কারফিউ বিধিনিষেধ পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ করেছেন। এই পর্যালোচনার লক্ষ্য হল চরম ঠান্ডায় কষ্ট লাঘব করা। কিয়েভে রাতের তাপমাত্রা -১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-২.২ ফারেনহাইট)-এ নেমে গেছে। বুধবার পর্যন্ত, রাজধানীর ৪৭১টি ভবনে হিটিং ছিল না। জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের পাঁচটি ফ্রন্টলাইন বসতি থেকে শিশুদের বাধ্যতামূলকভাবে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার খারকিভ অঞ্চলের কোরোটিচে নোভা পোশটা লজিস্টিকস টার্মিনালে রাশিয়ার একটি হামলা হয়।
জ্বালানি সংকট মানবিক পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করে তুলেছে। ইউক্রেনীয় সরকার পরিষেবা পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ করছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো সহায়তা প্রদান করছে।
রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযান ইউক্রেনের অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চলছে। এই হামলাগুলোর লক্ষ্য হল প্রতিরোধ করার জন্য ইউক্রেনের ক্ষমতা দুর্বল করা। এই সংঘাত ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি ও কষ্টের কারণ হয়েছে।
আরও জরুরি ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আলোচনা প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং জরুরি পরিষেবা পুনরুদ্ধার করার দিকে মনোযোগ থাকবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment