স্থানীয় সূত্রে খবর, কিছু ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌঁছায়নি, অন্যদিকে ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য তৈরি করা বায়োমেট্রিক মেশিনগুলো বিকল হয়ে গেছে। ভোটার জালিয়াতি রোধে আঙুলের ছাপ স্ক্যানিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই মেশিনগুলো, যা উগান্ডার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই সিস্টেমগুলোর ব্যর্থতা নির্বাচনেরIntegrity এবং কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। উদ্বিগ্ন ভোটাররা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিলম্ব নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।
ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ইউয়েরি মুসেভেনি প্রায় ৪০ বছরের শাসনকাল আরও বাড়ানোর প্রত্যাশা করছেন। নির্বাচনের আগে প্রচারণায় সহিংসতা এবং সরকারের ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনের অভিযোগ ওঠেছে। নির্বাচনের আগের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হলে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এবং ভুল তথ্য ছড়ানো বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সমালোচকদের দাবি, বিরোধী দলের কণ্ঠরোধ এবং নির্বাচন নিয়ে স্বাধীন রিপোর্টিং সীমিত করার জন্য এটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা ছিল।
দেরি এবং প্রযুক্তিগত সমস্যাগুলো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক উভয়ের কাছ থেকে সমালোচিত হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি এবং নির্বাচনের সামগ্রিক বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত সমস্যাগুলো সমাধান করতে এবং যোগ্য ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করার জন্য চাপের মধ্যে রাখা হয়েছে। কমিশন এখনো কোনো বিবৃতি প্রকাশ করেনি। নির্বাচনের ফলাফল এবং এর পরবর্তী প্রভাব উগান্ডার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে এর সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment