বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়েরা সব ধরণের ফরম্যাট ও প্রতিযোগিতার খেলা বয়কট শুরু করেছেন। এই পদক্ষেপের কারণ হলো আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার করা সমালোচনামূলক মন্তব্য। এর immediate ফলস্বরূপ, বৃহস্পতিবার দুটি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ম্যাচ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে, কারণ দলগুলো ঢাকার ভেন্যুতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে।
বিসিবি পরিচালক নাজমুল ইসলাম দেশের সেরা ক্রিকেটারদের প্রকাশ্যে সমালোচনা করার একদিন পর এই বয়কট শুরু হয়। ইসলামের মন্তব্য, যার নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু এখনও প্রকাশ করা হয়নি, খেলোয়াড়দের কাছে অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে, যার ফলে তারা সম্মিলিতভাবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বিপিএল ম্যাচ স্থগিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর, বিসিবি ইসলামকে বরখাস্ত করার ঘোষণা দেয়।
এই পরিস্থিতি ২০০০ সালের একটি অনুরূপ সংকটের প্রতিধ্বনি করে, যখন খেলোয়াড়রা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল এবং আরও ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দাবি করেছিল, যা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে, এই বর্তমান বয়কটটি বিশেষভাবে বিসিবির একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে আসা অনুভূত অসম্মানের সাথে সম্পর্কিত, বৃহত্তর পদ্ধতিগত সমস্যাগুলির সাথে নয়।
বিসিবি এখনও ইসলামকে বরখাস্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করা ছাড়া অন্য কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি। খেলোয়াড় প্রতিনিধিরাও নীরব রয়েছেন, যার ফলে বয়কট শেষ করার সঠিক দাবি এবং শর্তগুলি অস্পষ্ট রয়ে গেছে। বিপিএল ম্যাচ স্থগিত হওয়া ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যালেন্ডারে একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে, যার ফলে দল, স্পনসর এবং সম্প্রচারকদের জন্য সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। আইসিসি এখনও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতি এখন অনিশ্চিত, যদি এই বিরোধ দ্রুত সমাধান না হয় তবে দলের অংশগ্রহণ ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment