রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ১,৪২২তম দিনে উভয় পক্ষের মধ্যে ক্রমাগত আক্রমণ দেখা গেছে। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে দুইজন ফার্মেসি কর্মী নিহত হয়েছেন। কর্মীরা রাশিয়ার দখলে থাকা একটি এলাকায় ওষুধ পরিবহন করছিলেন।
আলাদা ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বেলগোরোড অঞ্চলে তিনজন আহত হয়েছেন। রাশিয়ান বাহিনী সুমি অঞ্চলের বিলোপিলিয়াতে একটি গাইডেড বোমা ফেলেছে। এতে একজন নিহত এবং কমপক্ষে চারজন আহত হয়েছেন। রাশিয়ার রাতের হামলার পর ঝитоমির এবং খারকিভ অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে। কিয়েভ, কিয়েভ অঞ্চল এবং ওডেসা অঞ্চলের জন্য বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে।
হামলাগুলো সংঘাতের চলমান তীব্রতাকে তুলে ধরে। উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এটি স্বায়ত্তশাসিত অস্ত্র ব্যবস্থা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে এআই-এর ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে। এআই অ্যালগরিদমগুলি ক্রমবর্ধমানভাবে লক্ষ্যবস্তু সনাক্তকরণ এবং ড্রোন নেভিগেশনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে দ্রুত, আরও নির্ভুল এবং সম্ভাব্য আরও মারাত্মক হামলা হতে পারে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই সংঘাত শুরু হয়েছিল। এর ফলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও বাস্তুচ্যুতি হয়েছে। যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে।
আসন্ন দিনগুলোতেও লড়াই অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ড্রোন যুদ্ধের উপর নির্ভরতা সম্ভবত বাড়বে। এই সংঘাতগুলোতে এআই-এর নৈতিক প্রভাব আরও বেশি পর্যালোচনার দাবি রাখে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment