ইরানে প্রাণঘাতী দমন-পীড়ন ও ইন্টারনেট বন্ধের পর বিক্ষোভ স্তিমিত হয়ে আসছে বলে মনে হচ্ছে
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত - ইরানের ধর্মতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে হওয়া বিক্ষোভ বৃহস্পতিবার দুর্বল হয়ে আসতে দেখা গেছে। এর আগে কর্তৃপক্ষ প্রায় সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় এবং সহিংস দমন-পীড়ন জোরদার করে। অধিকারকর্মীদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দমন-পীড়নে কমপক্ষে ২,৬৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
একাধিক সূত্র অনুসারে, ইন্টারনেট বন্ধ এবং কর্তৃপক্ষের প্রাণঘাতী পদক্ষেপের কারণে বিক্ষোভ উল্লেখযোগ্যভাবে স্তিমিত হয়ে গেছে। বিক্ষোভ প্রাথমিকভাবে [যদি উৎসে বিক্ষোভের কারণ থাকে তবে এখানে যোগ করুন, অন্যথায় বাদ দিন] এর প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ক্রমবর্ধমান চাপের সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। এনপিআর অনুসারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংকট মোকাবিলার জন্য জরুরি বৈঠক ডেকেছে। জি৭ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আরও পদক্ষেপের সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে।
বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধ নেওয়ার সম্ভাবনা এই অঞ্চলে একটি কারণ হিসেবে রয়ে গেছে, যদিও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প [যদি নির্দিষ্ট ট্রাম্পের পদক্ষেপ বা বক্তব্য থাকে তবে এখানে যোগ করুন, অন্যথায় বাদ দিন]।
ইরান সরকার বিক্ষোভে জড়িতদের বিচার ও মৃত্যুদণ্ড দ্রুত করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
এনপিআর অনুসারে, বর্তমান পরিস্থিতি ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক কৌশল এবং মানবাধিকার উদ্বেগের জটিল সম্পর্ককে তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment